সন্ত্রাসীরা রাতে ফেরে চাঁনমারীতে
চাঁনমারীর নাসির হত্যার আসামীরা হত্যাকান্ড সংগঠিত করেই চুপসে যাননি। হত্যার পর নাসির হত্যা মামলা হলে সকল আসামীরাই আত্মগোপনে চলে যান। এই আত্মগোপনে থেকেই একের পর এক আস্ফালন দেখিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে একের পর এক গুজব ছড়িয়ে চাঁনমারী এলাকাবাসীকে ভীতি সৃষ্টি করেন এখনো বিভ্রান্ত করেন। এদিকে প্রতিনিয়ত প্রধান আসামী শরীফ রাতের আঁধারে চাঁনমারী এলাকায় প্রবেশের গুঞ্জন উঠে।
এমনকি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন প্রধান আসামী শরীফ এমন খবরেও চাঁনমারীর এলাকার বিভিন্ন অলি গলিতে গুরপাক খাচ্ছে। এছাড়া আইনের ফাঁকফোকরের মাধ্যমে আগাম জামিন এবং গ্রেফতারকৃত ৪জন আসামীও জামিনে বের হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। মূলত, এসকল গুজব আগাম জামিনের প্রধান প্রত্যাশার প্রধান কারণই হচ্ছে আবারও চাঁনমারীতে ফিরে নাসির হত্যাকারীরা তাদের আধিপত্য বিস্তার করবেন। তবে চাঁনমারী এলাকাবাসী নাসির হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার।
এধরণের হত্যাকান্ড করেও আইন ও প্রশাসনের সিস্টেমকে ফাঁকি দিয়ে জামিনে ফিরলেও চাঁনমারীতে তাদের ঠাঁই মিলবে না। যার কারণে নাসির হত্যার প্রতিবাদকারীদের ক্ষেত্রে আসামীরা বিভিন্ন ভাবে গুঞ্জন ছড়িয়ে তাদেরকে দেখে নেয়ার এক প্রকার হুমকি প্রদান করছেন।
যার কারণে মানববন্ধন করার থাকলেও মানববন্ধন একটি বিক্ষোভ মিছিল এবং হত্যার বিচার এবং আসামীদের গ্রেফতারে অবস্থান কর্মসূচিতে রূপ নেয়। সেসময় চাঁনমারী এলাকাবাসীর মুখে মুখে উঠে আসতে থাকে আসামীদের আস্ফালনের ঘটনা। এলাকাবাসী ভাষ্য হচ্ছে,আসামীরা একের পর এক গুজব ছড়িয়ে চাঁনমারী এলাকাবাসীকে ভীতিকর পরিবেশের সম্মুখীন করতে চাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এদিকে প্রতিনিয়ত প্রধান আসামী শরীফ রাতের আঁধারে চাঁনমারী এলাকায় প্রবেশের গুঞ্জনে এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ নাসির মত ব্যক্তিকে হত্যার পরও এলাকা ফেরার দুঃসাহসকে কোন ভাবেই এলাকাবাসী মেনে নিতে পারছে না।
এদিকে মানববন্ধনের আগের দিন বিকেল থেকেই মানববন্ধনকে বানচাল করতে আসামী পক্ষ থেকে গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয়। আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন প্রধান আসামী শরীফ এমন খবরেও চাঁনমারীর এলাকার বিভিন্ন অলি গলিতে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু প্রশাসনিক ভাবে বিষয়টি জানার চেষ্টা করা হলেও জানা যায় বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে একটি গুজব। এদিকে আইনের ফাঁকফোকরের মাধ্যমে আগাম জামিন এবং গ্রেফতারকৃত ৪জন আসামীও জামিনে বের হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। তবে চাঁনমারী এলাকাবাসী নাসির হত্যাকারী কোন আসামীকেই আইনের ফাঁকফোকরের মাধ্যমে মুক্ত দেখতে চান না।
কারণ নাসির হত্যার পর চাঁনমারী এলাকাতে নাসির হত্যা মামলার আসামীদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের জেরে হত্যাকান্ডের দিনই এলাকাবাসী গণধোলাই দিয়ে প্রধান আসামী শরীফের চার ভাইকে মৃত্যু নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন কিন্তু আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে দেন আসামীদের এলাকাবাসী। তবে সেই আসামীরাই আইনের ফাঁকফোকরে যদি আবার এলাকায় ফিরে এলাকাবাসীর অভিমত যেকোন ধরণের আপত্তিকর ঘটনা ঘটলে কাউকে দায়ী করা যাবে না। যেটা মানববন্ধনে দেয়া এলাকাবাসীর বিভিন্ন বক্তব্যে উঠে আসে।


