টিপুকে সাখাওয়াত, তুমি তো আওয়ামী লীগ নিয়া ঘুরো!
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
টিপুকে সাখাওয়াত, তুমি তো আওয়ামী লীগ নিয়া ঘুরো!
মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে উদ্দেশ্য করে আহ্বায়ক ও নাসিক প্রশাসক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, তুমিতো আওয়ামী লীগ নিয়া ঘুরো শামীম ওসমান ও সেলিম ওসমান করো কেন ? যা নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। সদস্য সচিবকে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের শেল্টারদাতা হিসেবে চিহ্নিত করালেন আহ্বায়ক। গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে সাখাওয়াত প্রকাশ্যে টিপুকে আওয়ামী লীগের শেল্টারদাতা করে হুঙ্কার দেন। যাকে ঘিরে টিপুকে ঘিরে শুরু হলো আরেক বিতর্ক।
তা ছাড়া বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে বিএনপির মতো বড় দলে কালিমা লেপন করছেন খোদ টিপু। নিজেকে ত্যাগী নেতা দাবি করলেও আদতে বিএনপির দুঃসময়ে পাশে ছিলেন না টিপু। দুঃসময়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা যখন দিশেহারা ঠিক তখন জাতীয় পার্টির হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিকের হাত ধরে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ন্যাশনালিষ্ট পার্টি (বিএনএফ) এ। সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৭ বছর যখন বিএনপি নেতাকর্মীরা যখন মামলা-হামলায় দিশেহারা, তখনও দিব্যি নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন এই টিপু। নারায়ণগঞ্জসহ বিএনপির বাঘা বাঘা নেতাদের নামে যখন শত শত মামলা, তখনও মামলাবিহীন ছিলেন টিপু।
যখন এই নিয়ে শরগোল তৈরি হয় তখনই ২০২৪ এর ৫ আগস্টের বছর খানেক আগে থেকে বিএনপির নেতা হিসেবে মামলা খাওয়া শুরু করেন আবু আল ইউসুফ খান টিপু। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বিএনপি নেতা মনে করেন, মূলত ওসমান পরিবারের আশীর্বাদে থাকায় টিপুর নামে মামলা হয়নি। তা ছাড়া এবার টিপুকে নিজ সংগঠনের আহ্বায়ক বানিয়ে দিলেন আওয়ামী লীগের শেল্টারদাতা যা নিয়ে শুরু হয়েছে হৈ-চৈ।
একই সাথে সেদিনই আলীরটেক ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ঘুষি দিয়ে গাল ফুলিয়ে ফেলার অভিযোগ উঠে টিপুর বিরুদ্ধে। সব মিলিয়ে বেপরোয়া হয়ে পরেছেন বিতর্কিত টিপু। তা ছাড়া ঈদুল আযহার পূর্বে আদালত প্রাঙ্গণে হকার বসাতে বাধা দেয়ায় বিএনপির আইনজীবী নেত্রী এড. আমেনা আক্তার শিল্পীকে মারধর ও গালিগালাজের ঘটনা ইতিমধ্যে প্রায় ভাইরাল।
এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। এমন একের পর এক বিতর্ক তৈরি করায় মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেয়ার দাবিও উঠেছিলো। তা ছাড়া ও আওয়ামী চেয়ারম্যানকে সমর্থনসহ আওয়ামী লীগের ব্যবসা বাণিজ্যে সমঝোতা করিয়ে দেওয়াসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে আহ্বায়কের প্রকাশ্যে মন্তব্যে তা আবার ফুটে উঠলো।


