# সিটির বাসিন্দা এমন হকারদের শুধু পুনর্বাসন করা হবে : নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত
# ডান-বামের কথা শুনে বিশৃঙ্খলা করবেন না : এড. টিপু
# শহরের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করবেন না : আশা
নগরবাসী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হকার উচ্ছেদ সফল হলে ও তা নিয়ে ইতিমধ্যে জল ঘোলা করার চেষ্টা করছে বাম নামধারী কিছু চাঁদাবাজ গোষ্ঠি ফের হকার পুর্নবাসনের দাবিতে মাঠে আন্দোলনে নামায় তাদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারী দিয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। ইতিমধ্যে নিয়মিত হকার উচ্ছেদে কার্যকর ভূমিকা পালন করলে ও হকার মাঠে চাাঁদাবাজদের নির্দেশে বসার পায়তারা করায় এবার বিশাল শোডাউন নিয়ে হকার ও তাদের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা। একই সাথে সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক বার বার হকাদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়ে আসছেন।
এদিকে গত (১৩ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা দিয়ে শহরের বিবি রোড, নবাব সলিমউল্লাহ সড়ক ও নবাব সিরাজউদ্দোল্লা সড়কের হকারদের উচ্ছেদে নামে। সিটি প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে স্থানীয় সাংসদ সদস্য এড. আবুল কালাম, জেলা পুলিশ, র্যাব, আনসার ও স্কাউট সদস্যরা উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেন। তা ছাড়া বিএনপি, গণসংহতি আন্দোলনসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতারাও সেদিন উচ্ছেদে ঐকমত্য পোষণ করেন। গত এক সপ্তাহ না পেরুতেই গণসংহতি আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস ও বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন চাঁদার লোভে হকারদের মাঠে নামিয়ে এবার বিপাকে পড়েছেন। এদিকে গত কয়েকদিন সড়ক ও ফুটপাতে সিটি কর্পোরেশনের টানা উচ্ছেদ অভিযান চলছে। হকাররা কেউ কেউ বসার সুযোগ খুঁজেও সিটি কর্পোরেশনের কর্মী ও পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা তা হয়ে ওঠেনি।
সূত্র বলছে, ইতিমধ্যে নারায়ণগঞ্জ শহরের সড়ক ও ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চালানো হকারদের কারণে দীর্ঘ বছর ধরে হাঁটাচলায় ভোগান্তি পোহাচ্ছেন নগরবাসী। সম্প্রতি হকারদের উচ্ছেদ করে ফুটপাতমুক্ত করায় স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারছেন সবাই। কিন্তু উচ্ছেদের পর পুনর্বাসনের দাবিতে গত সোমবার সড়কে নেমে আসেন হকাররা। এ সময় হকার নেতাদের পাশাপাশি হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে সংহতি জানিয়ে মিছিলে ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস ও ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন।
যদিও এ দুই নেতার মধ্যে অঞ্জন দাস কয়েকদিন আগে হকারদের উচ্ছেদ অভিযানেও ছিলেন। ফলে অঞ্জন দাসের ভূমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। যদিও গণসংহতি আন্দোলন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হকারদের মিছিলে থাকার বিষয়টি অঞ্জন দাসের একক সিদ্ধান্ত, দলীয় নয়। দল নগরবাসীর স্বাচ্ছন্দ্যে ফুটপাত দিয়ে চলাচলের পক্ষে। নারায়ণগঞ্জবাসীর স্বার্থ নিয়ে এ শহরে গণসংহতি আন্দোলন কাজ করে বলেও দাবি তাদের।
এদিকে বর্তমানে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি-ইসলামী আন্দোলণসহ নগরবাসী সকলেই হকার উচ্ছেদের পক্ষে ঐক্যমত পোষন থাকায় এবার হকাররা পরেছে টানাপোড়নে। ইতিমধ্যে উচ্ছেদের পরপরই নানাভাবে বিভিন্ন কায়দায় হকারদের পুর্ণবাসনের দাবিতে একটি চক্র মোটা অংকের চাঁদাবাজি ফুটপাতে করেছে এমন দাবি রয়েছে। তা ছাড়া ইতিমধ্যে সিটি কর্পোরেশনের লিষ্টে থাকা ৬৭২ জন হকারদের নিয়েও কিছু চক্র নানাভাবে ফয়দা লুটে নিতে চাইছেন।
তা ছাড়া এদিকে গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর শায়েস্তা খাঁ সড়কের কালিরবাজার ফ্রেন্ডস মার্কেটের সামনে থেকে হকার উচ্ছেদের পক্ষে মিছিল বের করে মহানগর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। তাদের নেতৃত্ব দেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব আবুল কাউসার আশা। ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। এই বিশাল মিছিলে তান্ডবে বর্তমানে পিছিয়ে রয়েছে হকারসহ তাদের চাঁদাবাজ চক্র।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে হাজার হাজার হকার তাদের আমরা কেন জায়গা করে দিবো। সিটি কর্পোরেশনের ভোটার ৬ এর অধিক রয়েছে এদেরকে আমরা যথাসময়ে পুর্নবাসন করবো। তা ছাড়া আমরা আর কাউকে পুর্নবাসনের আওতায় আনবো না এটাই ফাইনাল।
তিনি বলেন, নগরবাসীর স্বার্থ আমাদের কাছে বড় ফ্যাক্টর। নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কোনো ফুটপাতে কোনো হকার বসতে পারবে না। সেই নির্দেশনায় আমরা কাজ করছি।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেছেন, আমরা সবাই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, আমরা ফুটপাত হকারমুক্ত করবোই, করবো। রাস্তায়, ফুটপাতে কোনো আনাচে কানাচে হকার বসতে পারবে না। আমরা মানুষকে ফুটপাত দিয়ে চলাফেরা করতে দিতে চাই।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কোনো ফুটপাতে কোনো হকার বসতে পারবে না। হকাররা যদি আমাদের সিদ্ধান্তে একমত হন, আমাদেরকে সহযোগিতা করে, অবশ্যই আমরা তাদের পুনর্বাসন করার চিন্তা করবো। আর যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করার চেষ্টা করে, বা অন্য কোনো পথ অবলম্বন করে, কোনো ডান-বামের কথা শুনে বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করে, তাহলে আমরাও তাদেরকে শক্ত হাতে আইনের মাধ্যমে দমন করবো।
তিনি আরো বলেন, “আমাদের কাছে কয়েক লক্ষ নারায়ণগঞ্জবাসীর স্বার্থ বড়। আপনারা একজন এসেছেন, পরে শালা, বোনের জামাই, ভাতিজা, ভাগিনা সব গ্রামের থেকে নিয়ে এসেছেন। ওই ভাগিনা, ভাতিজা, দুলাভাই-এর জন্য এই রাস্তা দখল হতে দেওয়া যাবে না। জনগণ আমাদেরকে ভোট দিয়েছে, আবুল কালাম সাহেবকে সংসদে পাঠিয়েছে তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করার জন্য। তাদের স্বার্থ যে বাধাগ্রস্ত করবে সে যত বড় আত্মীয়-স্বজন হোক, যত বড় নেতা হোক, যত বড় ত্যাগী নেতা হোক, ডাইন হোক, বাম হোক, তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না”, হুঁশিয়ার করেন মহানগর বিএনপির এ নেতা।
তিনি হকারদের সতর্ক করে আরও বলেন, “হকার ভাইদের আহ্বান করবো, আপনারা ভুল পথে ধাবিত হবেন না। আপনারা সহযোগিতা করে নারায়ণগঞ্জবাসীকে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে দিলে আপনাদের পুনর্বাসনের চিন্তা-ভাবনা করবো। আর আপনারা এদিক-সেদিক স্মারকলিপি নামে এদিক-সেদিক করেন, অমুক উপদেষ্টার নামে সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা বলে রাস্তায় বসতে চান তাহলে আপনাদের ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা আশা করি, হকার ভাইরা কথাটা বুঝতে ভুল করবেন না। যে কেউ ইন্ধন দিক, কোনো গডফাদার, কোনো গডমাদার, কোনো চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী যদি আপনাদের ইন্ধন দিয়ে থাকে, আপনারা সে ইন্ধনে পড়বেন না।”
তিনি বলেন, “আমরা শুনেছি কোনো কোনো হকাররা সুগন্ধার সামনে আমাদের ভাই যারা রাস্তায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার কাজ করছে তাদের গায়ে হাত তুলেছেন। কে হাত দিয়েছেন? ওই কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে। আপনাদের এই সাহস কে দিয়েছে?
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা বলেছেন, “নারায়ণগঞ্জে আমরা ফুটপাতকে দখলমুক্ত করার জন্য যে আন্দোলনে নেমেছি। আগে হকাররা দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। একদল বসানোর কথা বলেছে আরেকদল আপনাদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু এখন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিট থেকে শুরু করে মাননীয় সংসদ সদস্য এবং আমাদের সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক সকলে আমরা একমত হয়েছি। নগরবাসীর ভোগান্তি লাঘবে আমরা ফুটপাত দখলমুক্ত করব।
হকারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “সেজন্য আপনারা কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা করবেন না, যদি করেন তাহলে আমাদের ফেস করতে হবে।”যারা যত্রতত্র যে ধরনের ঘটনা ঘটানোর জন্য কয়েকদিন যাবত বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জায়গায় মিটিংয়ে বসেছেন আমাদের কাছে সব নিউজ আছে। আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই কোন ব্যবসায়ী নেতা, কোন রাজনৈতিক নেতা এই ধরনের ব্যক্তিবর্গ যারা আছে তারা কিন্তু দিনশেষে আপনাদের কোন কাজে আসবে না। তাদের নিজস্ব স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আপনাদের ব্যবহার করার জন্য যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে সেটা ইনশাল্লাহ ইতিমধ্যে আমরা রুখে দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ সামনেও রুখে দেওয়ার জন্য যা যা দরকার আমরা করব।
হকারদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়ে সাংসদের রাজনৈতিক সচিব বলেন, “হকার ভাইয়েরা আপনারা আপনাদের ভোটার আইডি কার্ডগুলো সংগ্রহ করুন। নির্দিষ্ট দুই একটা জায়গা আপনারা দেখুন। যেখানে যৌক্তিকভাবে আপনাদের পুনর্বাসন করা সম্ভব। কিন্তু সেটা কোন মতেই শহরের কোন রাস্তায় হতে পারবে না। কারণ হকারদের কাছ থেকে যারা কেনাকাটা করেন তারা দরিদ্র সীমার নিচে বাস করে। এ লোকজনের সংখ্যা বেশি। তাদের সংখ্যা বিবেচনায় অবশ্যই পুনর্বাসন হবে কিন্তু সেটা যৌক্তিকভাবে। এটা ফুটপাত থেকে উঠে যাওয়ার পরে হবে। কোনোভাবে এটা আমাদের রাস্তাগুলোর মধ্যে করা সম্ভব না, এটা হবেও না ইনশাআল্লাহ”, যোগ করেন তিনি।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “আমি বলবো, ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করবেন না। শহরের পরিস্থিতি আনরেস্ট করবেন না। পরীক্ষা চলছে, এই পরীক্ষা চলাকালীন সময় কোন ধরনের কোন গোলযোগ যেন শহরে না হয়। সেই সাথে প্রশাসক সাহেবসহ সকলের উদ্দেশ্যে বলছি সবার জন্য একই আইন হতে হবে। কারণ বৈষম্যমুক্ত এই বাংলাদেশে একেক জায়গায় একেকজনের জন্য আইন হতে পারে না।”
তিনি আরও বলেন, “আপনি, আপনারা, আমরা সবাই মিলে হকার উচ্ছেদ করেছি। কিন্তু কুমুদিনী থেকে আমাদের যে সিরাজদ্দৌল্লা রোড, এই রোডে হকার কী করে আছে? এতে অন্য হকার যারা আছে তাদের মনে এবং সাধারণ নগরবাসীর মনে একটা সন্দেহ সৃষ্টি হতে যাচ্ছে।
আসলেই এটা নাটক চলছে নাকি আসলে হকার উচ্ছেদ হচ্ছে। আমি বলবো, অবিলম্বে আমাদের এই রোডগুলোতে যারা আছে তাদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আর বড়লোক হকার যারা আছে বিভিন্ন মার্কেটগুলোতে, বিশেষ করে মন্ডলপাড়া ব্রিজের ইলেকট্রিকের দোকানে যারা আছে, আমি তাদের ওদিন মাইকে বলেছিলাম- আপনারা হকারের চেয়েও খারাপ। কারণ হকাররা গরীব মানুষ, এরা পেটের দায়ে রাস্তায় নেমেছে। আর আপনারা কোটি কোটি টাকা ইনভেস্ট করে ব্যবসা করছেন তারপরেও আমাদের জনগণের চলার রাস্তা যেটা আমরা ফুটপাত বলে জানি সেটা আপনারা দখল করে নিয়েছেন।
মার্কেটের লোকজনেরও ফুটপাত দখল করে রাখার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, সেক্ষেত্রে ক্লাব মার্কেটের সামনে ইলেকট্রিকের দোকান যারা আছেন এরা হচ্ছে বড়লোক হকার। তাদের ব্যাপারে আপনাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ একই দেশে একেক মানুষের জন্য একেক ধরনের আইন চলতে পারে না। সুতরাং আমি বলব নারায়ণগঞ্জবাসী সবাই একত্রিত থাকেন। আমরা ইনশাআল্লাহ বৈষম্যহীন সুন্দর একটা নারায়ণগঞ্জ যেন উপহার দিতে পারি। এখানে কারো ক্রেডিট নেয়ার বা ক্রেডিট দেয়ার কোন সুযোগ নাই।
হকার ইস্যুতে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে আশা বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। যত্র যত্র যাবেন সিটি কর্পোরেশন গিয়ে ঘেরাও করবেন, এগুলো থেকে সরে আসেন। বাম-ডান যেই নেতারা যেভাবে আছেন, আপনাদের উদ্দেশ্যে বলছি- দুইদিনে আপনাদের চরিত্র নারায়ণগঞ্জের মানুষ অলরেডি জেনে গেছে।
হকারদের পক্ষে যারা সড়কে নেমেছেন তাদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, যেভাবে আপনারা চরিত্রহীনদের মত করে চাঁদাবাজি করেছেন এবং নারায়ণগঞ্জকে জিম্মি করার চেষ্টা করেছেন। ইনশাআল্লাহ আমার মত মানুষ, আমরা যতদিন বেঁচে আছি এই নারায়ণগঞ্জে আপনারা জিম্মি করে চলতে পারবেন না।