শুভ হত্যায় জাহিদ গ্রেফতার, আলীকে খুঁজছে পুলিশ
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম
শুভ হত্যায় জাহিদ গ্রেফতার, আলীকে খুঁজছে পুলিশ
ফতুল্লার চাঞ্চল্যকর শুভ হত্যাকান্ডে সম্পৃক্ত এবং অপহরণ মামলার আসামীরা ধীরে ধীরে পুলিশের জালে ধরাশয়ী হচ্ছেন। ইতিমধ্যেই ৫জন আসামী পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে রিমান্ড বা বিচারধীনের মুখোমুখি রয়েছেন। কিন্তু অপহরণের মামলার প্রধান আসামী রানা এবং তার ক্রাইম পার্টনার হোয়াইট ক্রিমিনাল আলী এখনো অধরা। এদের প্রধান আসামী রানা এবং আলী শুভ অপহরণের পর মামলার আসামী হয়েও দাবিয়ে বেড়ালেও রূপগঞ্জে শুভর লাশ শনাক্তের পরই আত্মগোপনে চলে যান রানা এবং আলী।
অপহরণ মামলায় আসামী হিসেবে সাংবাদিক আলী হোসেন স্পষ্টভাবে মামলার এজাহারে আসামী হিসেবে ক্রমিক নং-৬ থাকলেও বর্তমানে হায়াইট ক্রিমিনাল আলী আত্মগোপন থেকে অপহরণ মামলায় আসামী আলী হোসেন তিনি নন গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে প্রচার বিভ্রান্ত সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন। মূলত, আলী হোসেন কথিত সাংবাদিক হলেও অপকর্মের অবৈধ টাকার প্রভাবে গণমাধ্যমে অসাধু সম্পাদকদের ম্যানেজ করে সাংবাদিক কার্ড সংগ্রহ করে অপকর্মের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। এদিকে শুভ হত্যা কান্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ এবং অপহরণ মামলার আসামীরা একে একে গ্রেফতার হলেও হোয়াইট ক্রিমিনাল আলী এখনো অধরা থাকায় ধুম্রজাল সৃষ্টি হচ্ছে। কেননা আলী হচ্ছেন অপরহরণ মামলার প্রধান আসামী রানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আলীকে গ্রেফতারের মাধ্যমে রানার অপকর্মের ভান্ডার এবং শুভ হত্যাকান্ডে রানার সম্পৃক্ততার বিষয়টিও ষ্পষ্ট হয়ে আসবে।
সে পূর্ব ইসদাইর রসুলবাগের ঝুট ব্যবসায়ী মো. সোহেলের ছেলে। বৃহস্পতিবার (২এপ্রিল) বিকেলে ফতুল্লা মডেল থানায় শুভ অপহরণের মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। মামলার আসামিরা হলেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানা (৫১), কাশেম (৪৫), সাব্বির (২১), শাকিল (২৮), পাপ্পু (৪০), মো. আলী মিয়া (৩৮), জাহিদ (৩৫), রাজ্জাক (৫০), ওয়াসিম (২৩) ও লাল শুভ (২০)। তাঁদের মধ্যে সাব্বির, রাজ্জাক,ওয়াসিম,লাল শুভ, জাহিদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
কিন্তু শুভ হত্যায় সম্পৃক্ত এবং অপহরণ মামালার প্রধান আসামী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানা শুভর লাশ শনাক্তের পর আত্মগোপনে অনেকের ধারণা রানা আত্মগোপন থেকে দেশত্যাগও করতে যাচ্ছেন। এছাড়া রানার সহযোগী হিসেবে পরিচিত কথিত সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত আলী হোসেনেও এখনো অধরা তবে আত্মগোপনে থেকে শুভ হত্যাকান্ডের ঘটনাটিকে বিভিন্ন ভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টির মাধ্যমে শুভ অপহরণ মামালা থেকে রেহাই পেতে চাচ্ছেন।
এছাড়া শুভ হত্যায় ফেঁসে যাওয়ার আলীর অতীত অপকর্ম কান্ড এবং লোমহর্ষক অপরাধের পাহাড়। এদিকে আলীর সকল অপকর্মের ফিরিস্তি ইতিমধ্যেই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিলন ফকির জানিয়েছেন, শুভর লাশ শনাক্তের পর আজ সিইডির মাধ্যমে ডিএনএ টেস্ট জমা দেয়া হয়েছে। কোর্টের আদেশের পর শুভর লাশ উত্তোলন এবং ময়নাতদন্ত শেষে মামলার তদন্তে গতি ফিরবে এবং হত্যাকান্ডে সম্পৃক্তদেরও অনেকটা নির্ধারণ করতে সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, শুভ হত্যার সাথে সম্পৃক্ত এবং অপহরণ মামলার আসামী হিসেবে যেই আসামী হোক কাউকে আমরা ছাড় দিব না। শীঘ্রই তাদের গ্রেফতারের আওতায় আনব।


