এনসিপির গ্রুপিং জটে নেতৃত্ব কুক্ষিগত
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর এনসিপির রাজনীতিতে গ্রুপিংয়ের জটে জেলা ও মহানগরের শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্ব হয়েছে কুক্ষিগত। এর প্রধানত কারণই শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্ব বিভিন্ন কৌশলে কুক্ষিগত করে জেলা ও মহানগরের এক শ্রেণীর নেতা নিজেরা মোড়ল সেঁজে জেলা ও মহানগর রাজনীতিতে খোঁদ নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। পাশাপাশি জেলার দুজন শীর্ষ নেতার মধ্যে একজন নেতাকে সাপোর্ট করে অপরজনের নেতৃত্ব কুক্ষিগত রেছিলেন।
সূত্র বলছে,২০২৬ সালের ১৬মার্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা এনসিপির কমিটি ৬২সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। যুবাইর আহমেদ সরদারকে আহ্বায়ক ও জোবায়ের হোসেন তামজিদকে সদস্য সচিব করে জেলা এনসিপির নেতৃত্ব তুলে দেয়া হয়। কিন্তু নেতৃত্ব তুলে দেয়া বেশকয়েকদিন অতিক্রম করলেও জেলা এনসিপির নেতৃত্বে নিজেকে ফুঁটিয়ে তুলেছেন আহ্বায়ক যুবাইর সরদার। কিন্তু জেলা সদস্য সচিব হিসেবে জোবায়ের হোসেন তামজিদ জেলা নেতৃত্বে নিজেকে ফুঁটিয়ে তুলতে পারেননি। তবে নারায়ণগঞ্জে স্থানীয় ভাবে এবং ভৌগলিক ভাবে পারিবারিক অবস্থান থেকেও জোবায়ের হোসেন তামজিদ জেলার নেতৃত্বে পরিপক্ক হলেও জেলা এনসিপি রাজনীতির গ্রুপিংয়ের জটে নেতৃত্ব হয় কুক্ষিগত। যার কারণে নারায়ণগঞ্জ জেলা এনসিপির রাজনীতির প্রথম দিক থেকেই সাংগঠনিক কর্মকান্ডেও নিশক্রিয় থাকতে দেখা যেত জোবায়ের হোসেন তামজিদকে। এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা এনসিপির রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচিত নাম নিরব রায়হান। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়ে জেলা এনসিপির রাজনীতিতে সাংগঠনিক ভাবে ব্যাপক সক্রিয়। পাশাপাশি জেলায় এনসিপিকে প্রমোট করার ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে নিরবের।
২০২৬ সালের ১৬মার্চ নারায়ণগঞ্জ মহানগর এনসিপির কমিটি ৪৮সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে মো. শওকত আলীকে এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে আশিকুর রহমান অভিকে। এনসিপির রাজনীতির প্রথম দিক থেকেই নারায়ণগঞ্জে আলোচিত নাম ছিল শওকত আলীর। কিন্তু সদস্য সচিব আশিকুর রহমান অভি এনসিপির রাজনীতির আগেই অন্য মতাদর্শের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তার ছিল ব্যাপক কর্মীবাহিনী। এছাড়া এনসিপির রাজনীতির প্রথম দিকে বিভিন্ন সভা সমাবেশ সফল করলেও ছিলেন প্রচারবিমুখ। কিন্তু এনসিপিতে সরল রাজনীতি করতে এসে গ্রুপিংয়ের জটে মহানগরের শীর্ষ নেতৃত্ব পেয়েও তার নেতৃত্ব হয় কুক্ষিগত। যার কারণে এনসিপির রাজনীতিতে ফুঁটে উঠতে পারেননি অভি। তবে নেতৃত্ব এবং সাংগঠনিক ব্যাপক সংগঠনকে নেতৃত্ব দেয়ার ব্যাপক শক্তি থাকলেও মহানগর এনসিপির রাজনীতিতে প্রদর্শন করতে পারেননি। যার কারণে তার নেতৃত্ব হয়েছে কুক্ষিগত।
অপরদিকে মহানগর এনসিপির রাজনীতিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে জাবেদ আলম আলোচনায় আসেন। এদিকে মহানগর এনসিপির কমিটিতে পদায়িত হওয়ার আগে অনেকটা অপরিচিত মুখ ছিলেন জাবেদ আলম। মহানগর এনসিপির রাজনীতিতে সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়তা এবং প্রশাসন থেকে শুরু করে নারায়ণগঞ্জের আলোচিত বিভিন্ন গ্রোগ্রামগুলোতে জাবেদের নিয়মিত অংশগ্রহণ এবং গঠনমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে মহানগর এনসিপিতে আলোচিত হয়ে উঠেন। জেলা ও মহানগর এনসিপির রাজনীতি পর্যালোচনা করলেই দেখা যায় গ্রুপিংয়ের জটে অনেকের নেতৃত্ব হয়েছে কুক্ষিগত।


