নীরব ভূমিকায় জামায়াতে ইসলাম
আওয়ামীলীগ পতনের পর থেকেই নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সক্রিয়তার সাথে একের পর রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন জামায়াত ইসলাম। এছাড়া জাতীয় নির্বাচনে ভোটের মাঠে চমক দেখিয়েছিলেন। কিন্তু নারায়ণগঞ্জে জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত ইসলামের কোন এমপি না পেলেও জোটের একজন এমপি পেয়েছেন। সম্প্রতি ১১দলীয় জোটের লংমার্চের পর থেকেই নারায়ণগঞ্জে এক প্রকার নীরব ভূমিকায় চলে গিয়েছেন জামায়াত ইসলাম। এছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নারায়ণগঞ্জে জামায়াত ইসলামের যে পরিমাণ তৎপরতা দেখা গিয়েছিল।
সেই তৎপরতায় এখন এক প্রকার ভাটা দেখা গিয়েছে। এছাড়া জামায়াত ইসলামের অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা নেতাদেরও রাজনৈতিক ময়দানে তেমন তৎপরতা দেখা যায় না এবং রাজনৈতিক ময়দানে তাদের পরিচিতি নেই বললেই চলে।
যার কারণে নারায়ণগঞ্জ থেকে জামায়াত ইসলাম কোন সাংসদ পাননি। কিন্তু ১১দলীয় জোটের থেকে একজন সাংসদ পেয়েছেন। কিন্তু জোটের সাংসদ দ্বারা স্থানীয় রাজনীতিতে জামায়াত ইসলামের রাজনীতিতে কোন প্রকার সুবিধাজনক অবস্থান সৃষ্টি হয়নি। এদিকে জাতীয় নির্বাচনের পর জামায়াত ইসলাম স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মেয়র,চেয়ারম্যান,মেম্বার,কাউন্সি
এছাড়া সর্বদাই অনেকটা নীরবতার সাথেই সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। যার কারণে অন্যান্য রাজনৈতিকদলের সহযোগী সংগঠনের নেতাদেরও তাদের পরিচিতি এবং তাদের সম্পর্কে ধারণা থাকে না। এদিকে নারায়ণগঞ্জে জামায়াত ইসলামের রাজনীতিকে সামনেরসারী থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়-কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মইনুউদ্দিন আহমদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াত ইসলামের আমীর আলহাজ্ব মমিনুল হক,নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াত ইসলামের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার,সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইনকে।
অপরদিকে নারায়ণগঞ্জে জামায়াত ইসলামের সহযোগী সংগঠন কমিটির নেতারা হচ্ছেন-,নারায়ণগঞ্জ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল মান্নান,সেক্রেটারি মো: রেদোয়ানুল আজিম,নারায়ণগঞ্জ মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিন, সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান হোসাইন মুন্না,নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আকরাম হোসেন এবং সেক্রেটারি হিসেবে হাসিবুল ইসলাম সিফাত, নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্র শিবিরের সভাপতি অমিত হাসান,সেক্রেটারি আমজাদ হোসাইন। তবে জামায়াত ইসলামের এসকল সহযোগী সংগঠনের কমিটির নেতাদের স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচিতি নেই বললেই চলে। অপরদিকে সরকারী দল বিএনপির মূল দল পরিচালনার ক্ষেত্রে অন্যতম চালিকা শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখে অঙ্গসংগঠনের কমিটিগুলোর নেতারা।


