আবদুল্লাহ আল আমিন নাকি মাধবী মার্মা
কার হাতে না.গঞ্জ-৪ আসনের উন্নয়ন
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
আবদুল্লাহ আল আমিন ও মাধবী মার্মা
নারায়ণগঞ্জের -৪ আসনে (ফতুল্লা) দায়িত্বপ্রাপ্ত এমপি মাধবী মার্মা ফতুল্লার পূজা মণ্ডপে আগমন ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীদের বক্তব্যে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, গত ২০ অক্টোরর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আগমনের পরপরই ফতুল্লা থানা বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং পূজা কমিটির নেতারা তাকে স্বাগত জানায়। তবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের এমপি মাধবী মার্মাকে কাছে পেয়ে নারায়ণগঞ্জ ৪ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি আবদুল্লাহ আল আমিন কে নিয়ে অনেকটাই সমালোচনায় মেতে উঠেছিলেন।
তাকে এমপি করার পরপরই এই এলাকার মানুষ এখনো কোন ধরনের উন্নয়নের মুখ দেখেননি তবে দায়িত্ব প্রাপ্ত এমপি হয়েই ইতিমধ্যেই এই এলাকার মানুষের জন্য উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এমনকি বেশ কিছু ডিও লেটার দিয়েছেন। নেতাকর্মীদের দাবি এই এলাকার বর্তমান এমপির দ্বারা উন্নয়ন সম্ভব নয় তাই প্রধানমন্ত্রী যোগ্য একজন কে এই এলাকার উন্নয়নের জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে দায়িত্বপ্রাপ্ত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি মাধবী মার্মা তার বক্তব্যে বলেন, আমি আমার এলাকা বান্দরবনকে যেভাবে দেখি, এই এলাকার মানুষকে সেইভাবেই দেখি। আমি আপনাদের নাগরিক যে সকল সমস্যা রয়েছে তা সমাধান করবো। আপনারা আমার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি বলেন, এখানে নির্বাচিত এমপি এই এলাকার সাধারণ মানুষকে যে প্রত্যাশা দিয়েছিলো তার একটিও পূরণ করেননি, এই এলাকার মানুষ এখনো অবহেলিত। তবে এখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত এমপি মাধবী মার্মা তিনি ইতিমধ্যেই এই এলাকার মানুষের জন্য উন্নয়নের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
এসময় থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু বলেন, এই এলাকার নির্বাচিত এমপি ৮ মাসেও দৃশ্যমান কোন কাজ করেনি যার কারণে কোন উন্নয়ন হয়নি এই আসনে। আশা করছি এই আসনের মানুষ খুব শিঘ্রই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে। কারণ প্রধানমন্ত্রী এমন একজনকে এই আসনের উন্নয়নের দায়িত্ব দিয়েছেন তার দ্বারা এই এলাকার সার্বিক উন্নয়ন দেখবে।
বর্তমান সময়ে নারায়ণগঞ্জে আলোচিত যেই নামটি নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের এমপি আবদুল্লাহ আল আমিন। তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি গ্রুরুত্বপূর্ন আসন থেকে বিপুল ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। মাদক ব্যবসায়ী, জুট সন্ত্রাস, ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কথা বলে বরাবরই তিনি ব্যাপক ভাবে আলোচনায় রয়েছেন এমনকি বিগত সময় এই এলাকার সাধারন মানুষ এমপিদের কাছে সরাসরি কথা বলে সমস্যা সমাধানের কথা জানাতে না পারলেও এখন তিনি নারায়ণগঞ্জেই ২ দিন নির্বাচনী এলাকার মানুষের সমস্যার কথা শুনতে। ফতুল্লার বেশ কিছু সমস্যা নিয়ে সংসদেও তিনি তার কথা উপস্থাপন করেছেন। এরই মধ্যে অনেক কিছুই বাস্তবায়নের পথে।
তবে এই এলাকার সাধারন মানুষ মনে করে এলাকার যে সকল সমস্যা রয়েছে সেগুলোর সুষ্ঠু সমাধান আর সেটা কোন এমপির মাধ্যমে হলো সেটা বড় কথা নয়। নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনটি ফতুল্লার একটি গুরুত্বপূর্ণ থানায় হলেও এই এলার্কা মানুষ এখনো তেমন উন্নয়নের মুখ দেখেনি তাই তাদের চাওয়া অতিদ্রুত সকল সমস্যাগুলোর সমাধান করা হয়। আবার কেউ কেউ মনে করছেন যেহেতু একজন নির্বাচিত এমপি আছে অন্যদিকে আরেকজন দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত এমপি রয়েছেন সেক্ষেত্রে এই এলাকার মানুষ আগামীতে খুব ভালো উন্নয়নের মুখ দেখবে।


