ফতুল্লা আওয়ামী লীগের কুতুবরা তৎপর
নারায়ণগঞ্জের গডফাদার শামীম ওসমানের বিশেষ সন্ত্রাসী বাহিনী পরিচালনা করতেন ফতুল্লা কৃষকদলের কিছু প্রভাবশালী নেতা। মাসিক বেতনে হাজার হাজার সন্ত্রাসী বাহিনী লালন পালন করে ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখে ঝুট সন্ত্রাস,ভূমিদস্যুতা,চাঁদাবজি,
কিন্তু ৫ই আগস্টে আওয়ামীলীগ পতনের পর বষম্য বিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে একাধিক হত্যা এবং হত্যা চেষ্টা মামলার সাথে সম্পৃক্ত থাকা অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন। গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবরণ করলেও এখনো ফতুল্লা এলাকায়ই আত্মগোপনে রয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষকলীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন ছিলেন গডফাদার শামীম ওসমানের বন্ধু খ্যাত কুখ্যাত সন্ত্রাসী। যার নেতৃত্বে প্রতিনিয়ত সাইনবোর্ড এলাকা জুড়ে চাঁদাবাজি,ভূমিদস্যুতা জবর দখল নিয়ন্ত্রিত হত। এর বাহিরে রূপায়ন আবাসিক এলাকায় ফ্লাট প্রতি চাঁদা এবং ক্রয় বিক্রয়েও মোটা অংকের চাঁদা নিতেন নাজিম। এছাড়াও তার অপকর্মের মধ্যে ছিল পরিবহনে চাঁদাবাজি,ঝুট সন্ত্রাস,ভূমিদস্যুতা,চাঁদাবজি,
৫ই আগস্টের পর পিঠ বাঁচাতে ফতুল্লার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে ঢাকায় আত্মগোপনে চলে যান নাজিম। যার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে একাধিক হত্যা এবং হত্যা চেষ্টা মামলার সাথে সম্পৃক্ত থাকা অভিযোগ রয়েছে। অপরদিকে শরীফুল ছিলেন ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ফতুল্লা এলাকায় বালু মহাল,হাট,মাঠ,ঘাট, সন্ত্রাস,ভূমিদস্যুতা,চাঁদাবজি,
যার নেতৃত্বে ঝুট সন্ত্রাস,ভূমিদস্যুতা,চাঁদাবজি,
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে একাধিক হত্যা এবং হত্যা চেষ্টা মামলার সাথে সম্পৃক্ত থাকা অভিযোগে গাঁ ডাকা দিয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। ফতুল্লা কথিত যুবলীগ ও আওয়ামীলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন মজিবর। এদিকে মজিবর গডফাদার শামীম ওসমানকে প্রতিনিয়ত তার বাড়িতে আমন্ত্রণ করে করে এসকল ছবি বিক্রি করে ফতুল্লার এলাকার রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন। সেই সাথে কাঠেরপুল,কোতালেরবাঘ,রামারবাঘ,
কিন্তু প্রায়ই এই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আরেক নিয়ন্ত্রক আজমত আলীর সাথে বিরোধে জড়াতেন। এছাড়া ৫ই আগস্টে আওয়ামীলীগ পতনের পরও অদৃশ্য ছাঁয়ায় এলাকায় প্রকাশ্যে ছিলেন। কিন্ত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে একাধিক হত্যা এবং হত্যা চেষ্টা মামলার সাথে সম্পৃক্ত থাকা অভিযোগে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন। অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ গডফাদার শামীম ওসমানের আর্শীবাদে একজন ডাকাত-ছিনতাইকারীকে যুবলীগের ট্যাগ ব্যবহার করে জানে আলম বিপ্লবকে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসে পরিণত করেছিল। এছাড়া বিশাল ক্যাডার বাহিনী গড়ে তুলে কায়েমপুর,তল্লা,খাঁনপুর,আজমেরী
এছাড়াও শামীম ওসমানের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসী কার্যকলাপে প্রকাশ্যে দিবালোকে অস্ত্র নিয়ে দাপিয়ে বেড়াতেন দুর্ধর্ষ বিপ্লব। এরমধ্যে আলোচিত ছিল হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ এবং জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর শামীম ওসমানের নেতৃত্বে হামলা যেখানে সরাসরি সামনের সারি থেকে অংশ নিয়েছিলেন বিপ্লব। ৫ই আগস্টের পর পিঠ বাঁচাতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে একাধিক হত্যা এবং হত্যা চেষ্টা মামলার সাথে সম্পৃক্ত থাকা অভিযোগ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন বিপ্লব।


