Logo
Logo
×

রাজনীতি

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সেই দুর্ধর্ষ বিন্দু কোথায়?

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সেই দুর্ধর্ষ বিন্দু কোথায়?

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সেই দুর্ধর্ষ বিন্দু কোথায়?

Swapno



নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসনাত রহমান বিন্দু হয়ে উঠেছিলেন বন্দরের অপরাধ জগৎতের নিয়ন্ত্রক। শুধু বন্দরই নয় বন্দর ডিঙিয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরেও ছাত্রলীগের পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করতেন। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজ হিসেবে পরিচিত ছিলেন বন্দরজুড়ে। এছাড়া প্রতিনিয়ত আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলা লিপ্ত হতেন। তারাই ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জের হকার ইস্যুতে অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে হামলা পরবর্তীতে আওয়ামীলীগের পতনের পূর্বে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র জনতার আন্দোলনে বিন্দুর সকল অপকর্মের শেল্টারদাতা শামীম ওসমান ও পুত্র অয়ন ওসমানের সাথে সংঘবদ্ধ ভাবে হামলা চালায়। এছাড়া জুলাই-আগস্টের ছাত্র জনতার আন্দোলনে অস্ত্র লুট করে হামলা করার অভিযোগও ছিল বিন্দুর বিরুদ্ধে।


সূত্র বলছে,নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের কমিটিতে অদিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই ছাত্রলীগের ক্যাডার ভিত্তিক রাজনীতি পরিচালনা শুরু করেন। এদিকে বিন্দুকে ক্যাডার ভিত্তিক রাজনীতিতে অগ্রসর হতে লিড দিতেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সাংসদ শামীম ওসমানের পুত্র অয়ন ওসমান। অয়নের ওসমানের আশকারায় বিন্দু হয়ে উঠেন শহর বন্দরে ছাত্রলীগের পরিচিত ক্যাডার। যার কারণে একের এক অপকর্ম করেও পার পেয়ে যেতেন বিন্দু।


অয়ন ওসমানের নির্দেশনায় আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থীর বিরোধীতা করে ছাত্রলীগের কমিটি থেকেও বিতারিত হন। এদিকে আওয়ামীলীগের শাসন আমলেই নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসনাত রহমান বিন্দু তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে বন্দরে ক্যাবল টিভি (ডিশ) ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এবং স্থানীয় হাট, ঘাট ও অটো স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান। এদিকে বন্দরে এই দখল দারিত্বের জন্য প্রতিনিয়ত বিন্দু বাহিনী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়ান।


এছাড়াও,জাতীয় এবং স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে নারায়ণগঞ্জ শহর ও বন্দর এলাকার নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে প্রভাব বিস্তার, এজেন্টদের মারধর এবং ককটেল বা পটকা বিস্ফোরণ করে নির্বাচনী কেন্দ্রগুলো দখলে নিতেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টে ছাত্র-জনতার উপর হামলার উদ্দেশ্যে শামীম ওসমান এবং অয়ন ওসমানের নেতৃত্বাধীন অস্ত্র লুট করে হামলা চালায়। যার কারণে আওয়ামীলীগ পতনের পর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হত্যা এবং হত্যা চেষ্টা মামলাসহ অস্ত্র লুটের একাধিক মামলায় আসামী হয়েছেন।


কিন্তু এখনো দেশত্যাগ করতে না পারলেও বর্তমানের নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবলীগের কমিটিতেও ফিরতে চাচ্ছেন বিন্দু। সেই সাথে আওয়ামীলীগকেও সংগঠিত করে যাচ্ছেন। কিন্তু প্রশাসন এখনো বিন্দুর লাঘাম টেনে ধরতে পাচ্ছেন না। একাধিক হত্যা মামলার আসামী হয়েও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।


Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন