মেয়াদোত্তীর্ণ ফতুল্লা থানা বিএনপি ভাঙছে শীঘ্রই
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
মেয়াদোত্তীর্ণ ফতুল্লা থানা বিএনপি ভাঙছে শীঘ্রই
ফতুল্লা থানা বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং গ্রুপিংয়ের কারণে দলীয় সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। মূলত ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার, বিসিক শিল্পনগরী ও বিভিন্ন কারখানার ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, এবং চাঁদাবাজির মতো অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ইস্যুগুলোকে কেন্দ্র করে এই বিরোধ তীব্র রূপ নিয়েছে। ফতুল্লা থানা বিএনপির অন্তর্কোন্দলের মূল কারণ এবং সাম্প্রতিক সময়ে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব ও প্রকাশ্যে গ্রুপিংথানা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে গ্রুপিং এখন আর গোপন কিছু নয়। সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু এবং অন্যান্য প্রভাবশালী নেতাদের অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে। অনেক ক্ষেত্রে দলের সিনিয়র নেতারা পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালন করছেন, যা তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্ত করছে।
এদিকে খ্ােজ নিয়ে আরও জানা যায়, ফতুল্লা থানা বিএনপির শীর্ষ স্থানে স্থানে থাকা বেশিরভাগ নেতাকর্মী বহিষ্কার অবস্থায় রয়েছেন যার কারনে ফতুল্লা থানা বিএনপি অনেকটাই নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়েছে। শুধু তাই নয় ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তিনি এক সময় ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয় দল থেকে। তবে বহিষ্কার থাকাকালীন সময়ে বিগত দিনে ফতুল্লা থানা বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে বিভিন্ন সহযোগিতা করেছেন।
এমনকি আওয়ামী লীগের বাধার মুখে থেকে কর্মসূচি সফল করেছেন। ৫ আগস্ট পর পরই আবারও সক্রিয়ভাবে মাঠে নেমেছেন এমনকি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং বহিষ্কারের প্রত্যাহার করা হয়। আর তার পর থেকেই ফতুল্লা ভিন্ন মেরুকরনের সৃষ্টি হয়েছে ফতুল্লা থানা বিএনপিতে। ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর সাথে যারা সক্রিয় ভাবে এতদিন রাজনীতি করেছে তারা অনেকেই এখন সেন্টুর বলয়ে আসতে শুরু করে দিয়েছি।
এমনকি নির্বাচনের দলের বিরুদ্ধে গিয়ে যে সকল নেতাকে নেতাকর্মীরা বহিস্কার হয়েছে তারা অনেকেই এখন আবার সক্রিয় ভাবে মাঠে নামার চেষ্টা করছে এবং দলীয় পদ ফিরে পেতেও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুর হাতকে শক্তিশালী করতে নতুন বলয় সৃষ্টি করছে। আরও জানা যায়, ২০২৩ সালে জুন মাসে ফতুল্লা থানা বিএনপির কমিটি ৩ বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয় ইতিমধ্যেই সেই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে খুব শিঘ্রই হয়তো এই কমিটি ভেঙে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কিন্ত বিগত দিনে শহিদুল ইসলাম টিটু ও বারী ভূইয়া এবং রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা ফতুল্লায় আন্দোলন গড়ে তোলে। তবে ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরপরই চাঁদাবাজি,দখল বানিজ্য সহ নানান অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে ফতুল্লা থানা বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শুধু তাই নয় বিএনপির শীর্ষ পদে থাকা নেতার ঘনিষ্ঠজন এবং আত্মীয়-স্বজনরাও মাদকের সাথে সম্পৃক্ত এমন একটি অভিযোগ রয়েছে।


