বন্দর ঘাটে যাত্রী ছাউনি হকারদের দখলে থাকায় ভোগান্তিতে যাত্রীরা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
বন্দর ঘাটে যাত্রী ছাউনি হকারদের দখলে থাকায় ভোগান্তিতে যাত্রীরা
নারায়ণগঞ্জ সদর-বন্দর মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী পারাপারের স্থান হচ্ছে ১নং বন্দর সেন্টার খেয়াঘাট। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সেই ঘাটটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক লক্ষ যাত্রী নদী পারাপার হয়। সেই সাথে ঘাটটির পাশে কেন্দ্রীয় বাস স্ট্যান্ড, রেল স্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল থাকায় প্রতিদিন কয়েক লক্ষ লোক সেখানে যাতায়াত করেন। কিন্তু বর্তমানে সেই ঘাটটি দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে যাতায়াত করছে। বর্তমানে ঘাটটির যাত্রী ছাউনি সহ সড়কের দু’পাশ রয়েছে হকারদের দখলে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নারায়ণগঞ্জ ১নং সেন্টার খেয়াঘাটের যাত্রী ছাউনি এখন হকারদের দখলে। দুইপাশে প্রায় ১০-১৫ টি দোকান বসিয়ে ফলের ব্যবসা করছে হকাররা। কিন্তু ঝড়-বৃষ্টিতে সেখানে দাঁড়ানো জায়গা কোন জায়গা পাচ্ছে না যাত্রীরা। খোঁজ নিয়ে যায়, দোকান প্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা রোজ চাঁদা আদায় করছে ইজারাদার। এছাড়াও ঘাটের দু’পাশে চকি বসিয়ে সড়কের অর্ধেক দখল করে ব্যবসা করছে অনেকে। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন স্থানে হকার উচ্ছেদ করলেও বন্দর ঘাটের সামনে ও তার আশেপাশে হকার উচ্ছেদ করে না।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, এই সড়কের জায়গাটি হচ্ছে বিআইডব্লিউটিএর আওতায়। এখানের সকল দোকানে চাঁদা বিআইডব্লিউটিএর কিছু অসাধু কর্মকর্তার পকেটে যায়। প্রতি মাসে প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা এই দোকান থেকে তোলা হয়। তারা অনেকের কাছ থেকে ২০বা ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে এখানে দোকান বসিয়েছে।
এ বিষয়ে কয়েকজন পথচারী জানান, আমরা প্রতিদিন এই ঘাটটি দিয়ে পারাপার হয়। অনেক সময় রিকশা করে আসলে লঞ্চ ঘাটের সামনেই নামতে হয়। আগের ঘাটের সামনে হকার কম ছিলো, এখন বাড়ছে। এছাড়াও বৃষ্টির সময় যাত্রী ছাউনিতে দাঁড়ানো যায় না। ঘাটের এপার ও ওপারের যাত্রী ছাউনিতে হকাররা দোকান দিয়ে বসেছে। আমি চাই নদীর দুই পাড়ে যাতে যাত্রী ছাউনিগুলো উন্মুক্ত করা হয়। বৃষ্টির সময় যাতে যাত্রীরা দাঁড়াতে পারে।


