Logo
Logo
×

রাজনীতি

সেলিম ওসমানের পালিত এহসান বিএনপির কোলে

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

সেলিম ওসমানের পালিত এহসান বিএনপির কোলে

সেলিম ওসমানের পালিত এহসান বিএনপির কোলে

Swapno



স্বৈরাচার ওসমান পরিবারকে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। বন্দর জুড়ে চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যূতা চালিয়ে বন্দরবাসীকে নাজেহাল করা এহসান চেয়ারম্যান বর্তমানে বিএনপি নেতাদের সুবিধা দিয়ে বনে গেছেন বিসস্ত সহযোগী। বিগত স্বৈরাচার আমলে সেলিম ও শামীম ওসমানের শেল্টারে বন্দর ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে অন্যায় অত্যাচার ও অনিয়ম করে বনে গেছেন কোটি কোটি টাকার মালিক। হয়েছেন বন্দর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান।


তা ছাড়া এহসান চেয়ারম্যান বন্দর ইউনিয়নে সেলিম ওসমানের সাথে সক্ষতা তৈরি করে চাঁদাবাজি, ড্রেজার নিয়ন্ত্রণ, ভূমিদস্যূতা, স্ট্যান্ডবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজিতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তিনি প্রকশ্যে এলাকা জুড়ে মাদকের ডিলারদের সকল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন। এমন নানা অপকর্ম পরিচালনায় লিপ্ত হয়েও সেলিম ওসমানের এই পালিত এহসান বর্তমানে বিএনপির কোলে দিব্বি এলাকায় থেকে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।


স্থানীয়দের দাবি , এহসান চেয়ারম্যান সেলিম ওসমানেকে ট্রাম্প কার্ড ব্যবহার করে বন্দরে তিনবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয় পাশাপাশি সেলিম ওসমানের পলিত পুত্র হিসাবে ও পরিচিত বেশ। এহসান স্বেরাচারী শাসনকালে নানা অপকর্মে ড্রেজার ব্যবসা নিয়ন্ত্রন মাটিকাটা থেকে শুরু করে জমি দখল কর্মকান্ডে করে বেড়াতো তার সন্ত্রাসী বাহিনী। ধরাকে সরা-জ্ঞান করে নানা রকমের অপকর্ম করে বেরিয়েছেন এহসান উদ্দিন আহমেদ।


এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও তার সন্ত্রাসী বাহিনী তা ছাড়া তিনি এখনও এলাকায় প্রকাশ্যে তাদের কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছেন। এদিকে বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহমেদের নামে বৈষম্য আন্দোলনে ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগে একাধিক মামলা থাকলে ও তিনি অধরা। তা ছাড়া ইতিমধ্যে সেলিম ওসমানের নির্দেশনায় আগামী ডিসেম্বরকে মাসে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জনে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার পায়তারায় রয়েছে এই এহসান। বিএনপির মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খেয়ে আওয়ামী লীগ ফের প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া এহসান।


এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বন্দর ইউনিয়ন এহসান চেয়ারম্যানের বাহিনীর কাছে জিম্মি ছিলো। যারা এহসানের শেল্টারে মাদক ব্যবসার সিন্ডিকেট চালাতেন পাশাপাশি চাঁদাবাজি, দখলবাজি নিয়ন্ত্রণ করতো তার বাহিনী। যারা এখনো বেপরোয়া প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। এহসানের ভাই মিনাজের দাপটে নবীগঞ্জ স্ট্যান্ডে কথাই বলা যেত না স্বৈরাচারী সরকারের আমলে। বর্তমানে তার ভাই সেই যুবদলের মাসুদ রানার সঙ্গে আতাঁত করে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন।


তা ছাড়া ২০২৪ সালের (৯ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের নারায়ণগঞ্জ সমন্বিত কার্যালয়ে চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদের বিরুদ্ধে ৩৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন দুদক। মামলার অভিযোগে হয়েছিলো ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত দুই সাবেক সচিবের যোগসাজশে জন্ম, মৃত্যু নিবন্ধনের ৩৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।


এছাড়া একই ব্যক্তি দুইটি আইডি তৈরি করে একটির মাধ্যমে সনদ প্রদান ও অপরটির মাধ্যমে জাল জালিয়াতি করার প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্তু এর পরপই স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পতনের আওয়াজ উঠলে ধামাচাপা পরে যায় মামলাটি। বর্তমানে ফের এই মামলা নিয়ে চাউর উঠছে। যাকে ঘিরে নিজের পিঠ বাঁচাতে এলাকায় প্রকাশ্যে বিএনপি নেতাদের নানান সুবিধা দিয়ে বহাল তবিয়তে রয়েছে।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন