আ.লীগের কুখ্যাত মামা ভাগিনাদের হদিস নেই
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
আ.লীগের কুখ্যাত মামা ভাগিনাদের হদিস নেই
আওয়ামীলীগ শাসন আমলে পুরো নারায়ণগঞ্জ জুড়েই মামা-ভাগিনাদের আস্ফালন রয়েছে। ৫ আগস্টের পর নারায়ণগঞ্জের আওয়ামীলীগের মামা-ভাগিনাদের ঘন্টা বেজে উঠে। আওয়ামীলীগের এই মামা-ভাগিনারা হচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ গডফাদার শামীম ওসমানের আস্থাভাজন গোলাম সারোয়ারের ভাই নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন ভূইয়া সাজনু ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল তাদের ভাগিনা নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন।
তাদের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জে পরিচালিত হন ঝুট সেক্টর নিয়ন্ত্রণ,ফুটপাতে চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাণিজ্য,পরিবহন চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সেক্টরে অপকর্ম করে বেড়াতেন গডফাদার শামীম ওসমানের শেল্টারে মামা-ভাগিনা চক্রটি।
সূত্র বলছে,নারায়ণগঞ্জের ৫ আগস্টের পর নারায়ণগঞ্জের আলোচিত গোলাম সারোয়ারের ভাই ও ভাগিনা নারায়ণগঞ্জের গডফাদার শামীম ওসমানের আস্থানভাজন হিসেবে নারায়ণগঞ্জে প্রভাব বিস্তার করতেন। এরমধ্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন ভূইয়া সাজনু নারায়ণগঞ্জের ঝুট, টেন্ডারবাজি ও ঘাট নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক পারদর্শী ছিলেন। এছাড়া তার ভাই নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নেয়া হকারদের থেকে টাকা উত্তোলন করে ভাগ নিতেন।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জ শহরের ভূমিদুস্যতাসহ নানা অপকর্মের বৈধতা দিতেন হেলাল। এছাড়া তাদের ভাগিনা নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন দখল দারিত্ব চাঁদাবাজি পরিবহন সেক্টর নিয়ন্ত্রণ ও সিটি বন্ধনের চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। তবে গত ৫আগস্টের পর ওসমানীয় সাম্রাজ্যের লুটিয়ে পড়লে সাজনু-হেলালরা পালাতে সফল হলেও তার ভাগিনা জুয়েল পালিয়ে বন্দরে অবস্থান করেন এরমধ্যেই বিএনপি নেতাদের কাছে লাঞ্চিত ও মারধরের শিকার হন।
এদিকে সাজনু-হেলাল এখনো ঢাকায় গাঁ ডাকা দিয়ে থাকলেও ভাগিনা জুয়েলের হুদিশ নেই। তবে জুয়েল ঢাকা বাহিরে ভিন্ন স্থানে অবস্থান করছেন। এখনো আওয়ামীলীগের মামা-ভাগিনারা বিএনপি নেতাদের উপরে ভর করে নারায়ণগঞ্জে এখনো নীরবে ছড়ি ঘুড়ানোর পায়তারা করেন।


