জামায়াত-এনসিপির সহযোগী সংগঠনে সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
জামায়াত-এনসিপির সহযোগী সংগঠনে সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল
নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরের রাজনৈতিক অঙ্গনে সর্বদাই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সহযোগী সংগঠনগুলো মূলদলের থেকেও ব্যাপক শক্তিমত্তা প্রভাব দেখা গেলেও জামায়াত ইসলাম-এনসিপির সহযোগী অঙ্গসংগঠনেরগুলোর এক প্রকার অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। এদিকে জামায়াত ইসলাম-এনসিপির সহযোগী অঙ্গসংগঠনের কমিটি থাকলেও তাদের কার্যক্রম অনেকটা দলীয় কার্যালয় পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে। এছাড়া জামায়াত ইসলাম-এনসিপির অঙ্গসংগঠনের নেতৃত্বে থাকা নেতাদের জেলা ও মহানগর এলাকায় পরিচিতি নেই বললেই চলে। এছাড়া প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনগুলো নেতাদের কাছেও তাদের পরিচিতি নেই বললেই চলে।
অপরদিকে নারাণগঞ্জ মহানগরে আমিনুল ইসলামকে আহ্বায়ক ও জহিরুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ছাত্রশক্তির কমিটি রয়েছে। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবশক্তি কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে জাহিদুল হক বাঁধনকে এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে ইমন মালুমকে। নারায়ণগঞ্জে জামায়াত ইসলামের সহযোগী সংগঠন কমিটির নেতারা হচ্ছেন-,নারায়ণগঞ্জ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল মান্নান,সেক্রেটারি মো: রেদোয়ানুল আজিম,নারায়ণগঞ্জ মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিন, সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান হোসাইন মুন্না,নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আকরাম হোসেন এবং সেক্রেটারি হিসেবে হাসিবুল ইসলাম সিফাত, নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্র শিবিরের সভাপতি অমিত হাসান,সেক্রেটারি আমজাদ হোসাইন।
তবে এনসিপি-জামায়াত ইসলামের এসকল সহযোগী সংগঠনের কমিটির নেতাদের স্থানীয় পরিচিতি নেই বললেই চলে। অপরদিকে সরকারী দল বিএনপির মূল দল পরিচালনার ক্ষেত্রে চালিকা শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখে অঙ্গসংগঠনের কমিটিগুলোর নেতারা। কিন্তু জামায়াত ইসলাম-এনসিপির সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বিএনপি সহযোগী সংগঠনের নেতারা চেনেনও না।
তবে এনসিপির সহযোগী সংগঠনের নেতারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সরাসরি কথা বলে বা স্থানীয় রাজনীতিতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিতর্কিত ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ করে আলোচনায় আসার প্রচেষ্টা চালালেও জামায়াত ইসলামের সহযোগী সংগঠনের মধ্যে দেখা যায় না। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় রাজনীতিতে ইসলামী ছাত্র শিবিরের পরিচিতি থাকলেও জামায়াতের অন্যান্য সংগঠনের পরিচিতি নেই। বছরে জামায়াত ইসলামের কেন্দ্রীয় নির্দেশিত গুটি কয়েক কর্মসূচি অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে পালন করে থাকেন। তাছাড়া প্রতিনিয়ত বা ধারাবাহিক রাজনীতিতে জামায়াত ইসলামের অঙ্গসংগঠনগুলো অগ্রসর হতে দেখা যায় না।


