সাংগঠনিক কার্যক্রমে ভাটা
নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপিতে সাংগঠনিক রাজনীতিতে ভাটা পড়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা সিটি করপোরেশন,জেলা পরিষদ,উন্নায়ন কতৃপক্ষের মত বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বে ভূষিত এবং জাতীয় নির্বাচনের পর অধিকাংশ আসনেই বিএনপির সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপির রাজনীতি সেসকল দপ্তর এবং এমপিদের কার্যালয় গিয়ে ঠেকেছে।
এছাড়া জেলা ও মহানগরের অঙ্গসংগঠনের নেতারাও এসকল দপ্তরে এবং এমপিদের কার্যালয়ে ভীর করছেন। এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরে সাংগঠনিক রাজনীতি নেই বললেই চলে। দলীয় কর্মসূচিতে বর্তমানে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের উপস্থিতি দেখা যায় না। এমনকি সাংগঠনিক ভাবে বিএনপির প্রতিটি সংগঠন অপকর্মে নিমজ্জিত হয়ে প্রতিটি সংগঠন বিতর্কিত হয়ে দুর্বলতায় পরিণত হচ্ছে। যার কারণে কোনক্রমেই নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপিতে সাংগঠনিক রাজনীতি সচল করতে পারছে না বিএনপি।
সেই সাথে টেন্ডারবাজি,হাট,মাঠ,ইজারা ভাগাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। এছাড়া জেলা ও মহানগর বিএনপির অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের অগ্রভাগের নেতারাই চাঁদাবাজি,দখলে নিমজ্জিত হয়ে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন। এছাড়া সংগঠনের সাংগঠনিক বিপর্যয় ঘটিয়েছেন। এতে করে কোন ক্রমেই নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক রাজনীতি সচল হচ্ছে না।অপরদিকে বিএনপির ক্লিন ইমেজের স্বচ্ছ রাজনীতির অধিকারী জেলা ও মহানগর বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের দাবি জানাচ্ছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় ভাবে এধরণের প্রদক্ষেপের তোড়জোড় শোনা যাচ্ছে এই পদক্ষেপকে ঘিরে জেলা ও মহানগরের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্ব পরিবর্তনকে সামনে রেখে পদপ্রত্যাশী নেতারাও এখন রাজনৈতিক তৎপর হয়ে উঠার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। এদিকে পুনর্গঠনকে সামনে রেখে জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের পদপ্রত্যাশী নেতারা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। আন্দোলন-সংগ্রামে নিজেদের ভূমিকা, কারাবরণ, সাংগঠনিক অবদান এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।


