Logo
Logo
×

রাজনীতি

শিক্ষাগত যোগ্যতায় বাদ পড়তে পারেন হেভীওয়েট প্রার্থী

Icon

এম মাহমুদ

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

শিক্ষাগত যোগ্যতায় বাদ পড়তে পারেন হেভীওয়েট প্রার্থী

শিক্ষাগত যোগ্যতায় বাদ পড়তে পারেন হেভীওয়েট প্রার্থী

Swapno



ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ না করায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইউনিয়ন প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে স্থানীয় ভোটের মাঠে আলোচিত হলেও এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্নাতক নির্ধারণে রুল জারি করেছেন আদালত।


এরপর থেকেই নারায়ণগঞ্জে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেকেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে দুর্বলতা রয়েছে। এরমধ্যে বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ  বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যার প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সন্ধীহান রয়েছে। এধরণের প্রার্থীদের ভোটের মাঠ নিয়ে দুশচিন্তা না থাকলেও হাইকোর্টের রুলে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে দুশচিন্তা পড়তে হচ্ছে 


সূত্র বলছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সম্ভাব্য মনোনীত এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয় নিয়ে নারায়ণগগঞ্জ বিএনপির অধিকাংশ প্রার্থীদের মধ্যে দুশচিন্তা ছিল। এছাড়া বিএনপির যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক ছিল তাদেরকে মনোনীত করা হলে বিতর্কে আরও চরমে ঠেকে। কিন্তু আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইউনিয়ন প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে হাইকোর্টে রুল করা হয়েছে।


আর এই রুলের কারণে নারায়ণগঞ্জে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চাওয়া অনেক প্রার্থীর মধ্যে দুশচিন্তা দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীদের অনেকেরই শিক্ষাগত যোগ্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অপরদিকে বিরোধীদল জামায়াত ইসলাম এবং এনসিপি অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে তেমন প্রশ্ন উঠেনি। কেননা এসকল প্রার্থীদের ভোটের মাঠে জন প্রিয়তা না থাকলেও সুশিক্ষিত প্রার্থীদের প্রার্থী হওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু  বিএনপির চেয়ারম্যান পদে প্রতিটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের ছড়াছড়ি দেখা দিয়েছে।


এদের মধ্যে অধিকাংশ প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল কারো স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে গ্রহণ যোগ্য এবং অধিকাংশ প্রার্থীর পেশীশক্তি এবং অবৈধ অর্থের প্রভাব এসকল যোগ্যতার চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এসকল মনোভাবের প্রার্থীদের মধ্যে অধিকাংশ বিএনপির চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী। কিন্তু শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সংখ্যা নুন্যতম। এই অবস্থাই দেখা যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ক্ষেত্রে।


এ বিষয়ে বিএনপির এক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়,জাতীয় নির্বাচনের সময়ও বিএনপির যোগ্য প্রার্থীদের ভোটের মাঠ থেকে উৎক্ষাত করতে ষড়যন্ত্র করেছিল একটি শ্রেণী। স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তাদের এই নীলনকশা বাস্তবায়ন হবে না। শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেই চলবে না,ভোটে নির্বাচিত হতে হলে জনপ্রিয়তাও লাগবে। আমাদের জনপ্রিয়তা আছে শিক্ষাগত যোগ্যতায় কম থাকলেও এইটা নিয়ে ভাবছি না।  


Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন