সতর্ক বিএনপি কর্মীরা
গত ১২ ফেব্রুয়াারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ট আসন পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বিএনপির নেতাকর্মীদের ব্যাপারে অভিযোগের পাহাড় জমে। এনিয়ে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারাদেশের ব্যবস্থা নেয় বিএনপি। তবে নির্বাচনের পর দলীয় প্রধান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেছেন। ধীরে ধীরে তার পরিধি বাড়ছে। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের এক প্রভাবশালী এমপির পুত্রও এক্ষেত্রে ছাড় পায়নি।
যুবদলের পদ থেকেও সেই এমপির ছেলেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর টনক নড়েছে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। গত কয়েকদিনে বিএনপি নেতাদের অতিকথন একদিকে কমেছে, সতর্ক অবস্থানে সব স্তরেরর নেতাকর্মীরা।
বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, যেসকল নেতাকর্মী বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত আছেন তাদের থেকে দুরত্ব বজায় রাজায় নির্দেশনা কর্মীদের দেয়া হয়েছে। এছাড়া যার যার অপকর্মের দায় তাকেই বহন করতে হবে, এক্ষেত্রে দল কোন দায় নেবেনা।
অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক, তাকে ছাড় দেয়া হবেনা, সরকারের এই অবস্থান ইতিমধ্যে প্রমাণ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একারণে সাধুবাদ জানাচ্ছে তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তারা বলছেন, চাঁদাবাজি, মাদকব্যবসাসহ অন্যান্য অপরাধে যারা জড়িয়ে পড়েছে তাদেরকে এখনই শায়েস্তা কিংবা দমন করা না হলে আগামী নির্বাচনে এর মাসুল দিতে হতে পারে দলকে। বিএনপির নীতিনির্ধারকরা এটি মাথায় নিয়েই কাজ করছেন।


