গডফাদার শামীম ওসমান বাহিনী কী প্রাপ্য শাস্তি পাবে?
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
গডফাদার শামীম ওসমান বাহিনী কী প্রাপ্য শাস্তি পাবে?
২০২৪ সনের ৫ আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তোপের মুখে পরে দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে শাসন করা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার পতন ঘটে। তার মাঝে নারায়ণগঞ্জের সাবেক এমপি শামীম ওসমান এবং সেলিম ওসমান সহ পুরো ওসমানীয় সম্রাজ্যের পতন ঘটে। অথচ গত বছরের ৫ আগষ্টের আগ পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে ওসমানরা একক আধিপত্য করে সর্বত্রে শাসন শোষন, অনাচার,অত্যাচারের মাধ্যমে মানুষকে জিম্মি রেখে নিজেদের মাতাব্বুরি প্রতিষ্ঠা করে সকল ধরনের অপকর্ম করেছে।
কিন্তু জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র জনতার উপর গুলি চালান। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ১৪ জুলাই দিন ধার্য ঠিক করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ৬ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ মামলায় গত ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠন শুনানি শেষ হয়। ওইদিন আসামিদের অব্যাহতির আবেদনের শুনানি করেন আইনজীবী আলী হায়দার, শেখ মুস্তাভী হাসান ও আমির হোসেন। এরও আগে গত ১৯ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশন। প্রসিকিউশনের দাবি, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের অনুমতি নিয়ে নিজের সশস্ত্র বাহিনী তথা এ মামলার ১১ আসামিকে সঙ্গে নিয়ে নারায়ণগঞ্জে হত্যাকাণ্ডে মেতে ওঠেন শামীম ওসমান। এ মামলায় শামীম ওসমান ছাড়াও তার ছেলে অয়ন ওসমান, ভাতিজা আজমেরী ওসমানসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। তবে আসামিদের সবাই পলাতক।
এর পরিপ্রেক্ষিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগ আনা হয়। গত ৪ মার্চ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেল পলাতক ১২ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারও আগে গত ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত।


