মহানগর যুবদলের কমিটিতে আসছে চমক
চলতি মে মাসের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুুবদলের আংশিক কমিটি আসছে বলে উঠছে নানা গুঞ্জন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিলের আগেই কমিটি প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে। তা ছাড়া এবারের কমিটিকে ঘিরে চমক আসছে। যাকে ঘিরে বিগত দিনের সকল বিশৃঙ্খলার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। একই সাথে এবারের কমিটিতে স্থান পেতে দৌড়ঝাঁপ চালিয়েছেন নানা সময় বঞ্চিত ও ছাত্রদল নেতা অনেকেই। ইতিমধ্যে মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও মহানগর যুবদল নেতা মাজহারুল ইসলাম জোসেফ, মহানগর যুবদলের বর্তমান সদস্য সচিব শাহেদ আহম্মেদ ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাকিবুর রহমান সাগর বর্তমানে মহানগর যুবদলের নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।
এদিকে মহানগর যুবদলের বর্তমান আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল বর্তমানে মহানগর বিএনপির আসতে যাওয়া নতুন কমিটিতে আলোচনায় থাকায় বর্তমানে মহানগর যুবদলে তার আলোচনা নেই বললেই চলে। এদিকে বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে নির্যাতিত, কারাবন্দি হওয়ার মূল্যায়ন নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে লম্বা তালিকা রয়েছে। যার ফলে আগামীতে ক্লিন ইমেজে শক্ত অবস্থানকারী নেতাদের মহানগরের দায়িত্ব নেয়ার সিদ্ধান্তে রয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদলের।
এদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ মহানগর যুবদল হলেও এখন বহাল তবিয়তে থাকায় তৃণমূল ও প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে কেন্দ্রীয় যুবদলের কমিটির আগে-পরে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সম্মেলন হতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এদিকে প্রত্যাশিত নেতারা এখনো মহানগর যুবদলের নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত রয়েছেন। এদিকে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ রয়েছে দুই বছর পর মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করা।
কিন্তু দুই বছর আট মাস হয়ে গেলেও কমিটি বহাল রয়েছে। তার মধ্যে মহানগর যুবদলের কোন ইউনিটের কমিটি গঠন করতে পারেনি বর্তমান আহবায়ক ও সদস্য সচিব। এর ফলে প্রত্যাশিত নেতাদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। তার পাশাপাশি যুবদলের তৃনমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক অবস্থা দিক ছুটছে। তা ছাড়া মহানগর যুবদলকে কেন্দ্রীয় যুবদল নানা সময় ইউনিট কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগ করলে ও তারা সর্বদা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
কিন্তু দীর্ঘদিন সক্রিয়তার সাথে যুব রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও মিলেনি তার কাক্সিক্ষত পদ। কারণ মহানগর যুবদলের কমিটিতে তার কোন স্থান না রেখেই কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় যুবদল। তারপরও থেমে না থেকে মহানগর যুবদলের ব্যানারে এখনো সক্রিয় রয়েছেন। কিন্তু যুবদলে তার কাঙ্খিত পদের চাহিদা এখনো অনেকটা অনিশ্চিতই থেকে যাচ্ছে। যুবদলের বর্তমান কমিটি বিলুপ্তি ঘটলেও তার কাক্সিক্ষত পদে আসা নিয়ে আলোচনায় উঠেছে।
তা ছাড়া বিভিন্ন সময় নানাভাবে দলীয় কার্যক্রমে ভূমিকা পালনই এবার জোসেফের ভাগ্য পরিবর্তন করবেন। এদিকে প্রটোকল অনুযায়ী শাহেদ আহম্মেদ যুবদলে আরেকটি চান্স পাবে। সেই হিসেবে এবার তার ব্যর্থতার দায় দিতে কোথায় রাখা হয় এটা বলা অসম্ভব বললেই চলে। তা ছাড়া মহানগর ছাত্রদলের সাবেক তুখোড় স্মার্ট সভাপতি বর্তমানে যুবদলে আলোচনায় রয়েছে।
৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক রাখা হয়েছে ১১জনকে। যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন, নুরে এলাহী সোহাগ, রুহুল আমিন, সাজ্জাদ হোসেন কমল, শেখ মোহাম্মদ অপু, আব্দুর রহমান, মোফাজ্জল হোসেন আনোয়ার, শাকিল মিয়া, আহসান খলিল শ্যামল, সাইফুল আলম সজিব, জাকির হোসেন সেন্টু, আক্তারুজ্জামান মৃধা। বর্তমানে কমিটি ও আহ্বায়ক কমিটি হিসেবেই আসতে পারে বলে গুঞ্জন উড়ছে। কিন্তু নয়া মুখে এবার যুবদলে থাকবে চমক।


