ফ্রন্ট লাইনে ফিরেছে এনসিপি
২০২৪ সালের ৫ই আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পর গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বে থাকা শীর্ষ ছাত্র-জনতার সমন্বয়ে নবতর একটি রাজনৈতিক দলের উত্থান ঘটে যে দলের নামকরণ জাতীয় নাগরিক পার্টি। এদিকে দলটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডামাডোল বাজতেই উত্থান ঘটেছিল। যার কারণে নবতর দলটির রাজনৈতিক অবস্থান ছিল ব্যাকফুটে। ঠিক একই ভাবে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর অঞ্চলে এই দলটির অবস্থান ছিল অত্যান্ত ব্যাকফুটে।
কিন্তু নারায়ণগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের দূরদর্শীতায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের একটি আসনে নির্বাচন করে একটি আসনেই বাজিমাত করেন। জাতীয় নির্বাচনের পরই এনসিপির একজন সাংসদের কারণে নারায়ণগঞ্জে তাদের সাংগঠনিক অবস্থান ব্যাকফুট থেকে ফ্রন্ট লাইনে ফিরে। সেই সাথে ইতিমধ্যেই এনসিপির মূলদল ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি জেলা ও মহানগর এলাকায় গঠিত হয়েছে।
পরবর্তীতে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদেরও নারায়ণগঞ্জে আগমন পথসভাকে কেন্দ্র করে বৃহৎ এক আয়োজন করে কেন্দ্রীয় নেতা এবং নারায়ণগঞ্জবাসীকে তাঁক লাগিয়ে দেন। এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে এনসিপির প্রার্থী হন তুহিন মাহমুদ,নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আল আমিন,নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে শওকত আলী, আহমেদুর রহমান তনু। কিন্তু জামায়াত জোটের সাথে এনসিপি জোট করলে উক্ত আসনগুলোতে এনসিপির প্রার্থীরা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আব্দুল্লাহ আল আমিনকে এনসিপি থেকে জোটের প্রার্থী করেন।
নারায়ণগঞ্জের মধ্যে এই একটি আসনেই এনসিপির প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে বিএনপির জোটের প্রার্থীকে হাড়িয়ে এমপি নির্বাচিত হন। এর পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এনসিপির সকল পর্যায়ের নেতাদের কদর বাড়তে থাকে। তাছাড়া সাংগঠনিক ভাবেও অনেকটা শক্তিশালী হয়ে উঠেন। কারণ ইতিমধ্যে এনসিপির সংগঠন ছাত্রশক্তি,যুবশক্তি এবং সকল থানা/উপজেলায় এনসিপির কমিটি গঠন করার কার্যক্রম শেষ করে।সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর এনসিপির কমিটি গঠন করা হয়।
গত ১৬মার্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা এনসিপির কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে যোবায়ের আহমেদ সরদার নির্বাচিত করা হয় এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে জোবায়ের হোসেন তামজিদকে এবং শওকত আলী-অভীর নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ মহানগর এনসিপির কমিটি গঠন করা হয়। যেখানে আহ্বায়ক করা হয়েছে শওকত আলী এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে আশিকুর রহমান অভিকে। এভাবেই ধীরে ধীরে নারায়ণগঞ্জে এনসিপি ব্যাকফুট থেকে ফ্রন্ট লাইনে ফিরে এনসিপি।


