Logo
Logo
×

রাজনীতি

আ.লীগে মামলার ভয় বিএনপিতে স্থিবিরতা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম

আ.লীগে মামলার ভয় বিএনপিতে স্থিবিরতা

আ.লীগে মামলার ভয় বিএনপিতে স্থিবিরতা

Swapno

প্রায় দীর্ঘ দেড় যুগ পরে জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের পতন ঘটানোর মধ্য দিয়ে ২০২৬ সনের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ নির্বাচনের বিএনপি ২১২ জন সংসদ সদস্য নিয়ে সরকার গঠন করে। সেই থেকে এখন অবদি তারা সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনা করে যাচ্ছে। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই জুলাই আন্দোলনে নিহত আহত হওয়া ভুক্তভোগি পরিবারের মামলায় র্জজরিত নারাণগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।


বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জের ৭টি থানায় জুলাই আন্দোলনে নিহত হওয়া নিয়ে প্রায় শতাধিক মামলা হয়েছে। আর এই মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানের গুন্ডা বাহিনী থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আসামী করা হয়েছে।  


এদিকে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে জনপ্রতি হতে তৎপরতা বেড়েছে। আওয়ামী লীগ নেতারা মামলার ভয়ের পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ২০২৪ সনের ৫ আগষ্টের পর  থেকে এখনো পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয় পর্যন্ত খোলার সাহস দেখাতে পারে নাই। এমনকি তারা যে পালিয়ে গেছে সেখান থেকে বের হতে পারে নাই। তার কবে নাগাত ফিরবে তাও কেউ জানে  না।অথচ দীর্ঘ দিন দাপুটের সাথে তারা রাম রাজত্ব চালিয়েছেন। তাদের উপর কেউ কথা বলার সাহস দেখাতে পারেন নাই


অপরদিকে বিএনপির সরকার গঠনের পর থেকে তাদের দলীয় কার্যক্রমে স্থিবিরতা দেখা দিয়েছে। এমনকি সংগঠনকে শক্তিশালী করার বেপারে তাদের তেমন কোন ভাবনা চিন্তা আছে বলে তেমন তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু ৫ আগষ্টের পর কে কি দখল করবে কোন সেক্টর কার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ব্যবসা বানিজ্য বিত্তশালী হবেন তা নিয়ে খুবই ব্যস্ত সময় পার করেছেন। তবে সম্প্রতি নাসিকের প্রশাসক হিসেবে এড. সাখাওয়াত হোসেন খান নিয়োগ পাওয়ার পর এবং জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব নেয়ার পর অন্য নেতাদের মাঝে জনপ্রতি হতে তৎপরতা হতে দেখা যায়। তবে দরীয় কমিটি গঠন কিংবা সংগঠনকে শক্তিশালী করার বেপারে কোন তৎপরতা নেই। আর এতে সংগঠন স্থিবিরতায় রর্য়েছে।


তবে স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছে। কে কোন উপেজলায় কোন পদে নির্বাচন করবে অথবা সিটিতে কারা নির্বাচন করবে তারা এখন থেকে মাঠে নেমে প্রস্তুতি নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। আর এই ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ পলাতক থেকে বের হয়ে সংগঠনকে নিষিদ্ধ থেকে মুক্ত হতে নানা ভাবে গোপনে মিটিং করে যাচ্ছেন। তাবে তারা কতটুকু ফলাফল নিয়ে আসতে পারবে সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে তৃনমুল নেতাকর্মীরা।

রাজনৈতিক বিষেøশকদের মতে ২০২৪ সনের ৫ আগষ্টে আওয়ামী লীগের পতনের আগে বিএনপির নেতারা মামলায় জর্জরিত হয়ে বেশির সময় কাটাতেন আদালত পাড়ায়। আর এখন সময়ের পরিবর্তনে আওয়ামী লীগের নেতারা পালিয়ে রয়েছে। কবে নাগাত তারা ফিরবে নিজেরাও জানে না।  


দলীয় সূত্রে জানাযায়, ক্ষতাসীন দলে নানা গ্রুপিং, কোন্দল আছে। বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কোন্দল প্রকট হতে যাচ্ছে। তাছাড়া দলে এখন অনেক নেতা। সবাই জনপ্রতিনিধি হতে চায়। বিভিন্ন এলাকায় অনেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দল থেকে বহিস্কার হয়ে ছন্ন ছাড়া হয়ে রয়েছে। আর এজন্য অনেকের কপাল পুরেছে। দল থেকে বহিস্কার হয়েছে। তার দলে ফিরতে পারবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরী হয়েছে।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন