সাবেক মন্ত্রী গাজী ও তার আশীর্বাদপুষ্টদের দখলে শতকোটি টাকার প্লট
পূর্বাচলে প্লটখেকো এক দুর্ধর্ষ সিন্ডিকেট
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
পূর্বাচলে প্লটখেকো এক দুর্ধর্ষ সিন্ডিকেট
দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা রূপগঞ্জ। নারায়ণগঞ্জের এই উপজেলায় গড়ে উঠেছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক শহর পূর্বাচল। যেখানে একেকটি প্লটের দাম আকাশছোঁয়া। জাল-জালিয়াতি করে পূর্বাচলের এসব প্লট কেনাবেচা ও দখলের মাধ্যমে কয়েক শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এমপি ও মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, তার এপিএসসহ আশীর্বাদপুষ্ট রাঘববোয়ালরা। ক্ষমতার দাপটে আদিবাসীদের প্লট জালিয়াতি, চাঁদাবাজি, প্লট দখলসহ নানা অনিয়ম করে তারা রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।
এদিকে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে জালিয়াতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে রূপগঞ্জের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বরাদ্দ পাওয়া পাঁচ শতাধিক প্লট আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, তাদের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ জব্দ এবং বিদেশযাত্রা বন্ধের দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে শনিবার আবেদন করা হয়েছে।
এদিন দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে রূপগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের নেতৃত্বে এ আবেদন জমা দেওয়া হয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, তার এপিএস এমদাদুল হক দাদুল, রূপগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য আনসার আলী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌসী আলম নীলা, উপশহরের গোবিন্দপুরের মারফত আলী, ব্রাহ্মণখালীর হাবিবুর রহমান হারেজসহ শতাধিক দালাল পূর্বাচল উপশহর একসময় দাপটের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করেছেন।
তথ্য বলছে, ২০১১ সালে পূর্বাচলে যুক্ত জিন্দা পার্কের আশপাশের জমিতে ৩০০ প্লট তৈরি করা হয়। এখান থেকে ১৫০টি প্লট এসব দালাল ভাগ-বাটোয়ারা ও দখল করে নেন। পূর্বাচল উপশহর প্রকল্পে গোলাম দস্তগীর গাজী, তার এপিএস এমাদাদুল হক দাদুল, আওয়ামী লীগ নেতা আনসার আলী, সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান, ফেরদৌসী আলম নীলা, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ইমন হাসান খোকন, আরমান মোল্লার হাতিয়ে নেওয়া প্লট বরাদ্দ বাতিল দাবিতে রাজউক চেয়ারম্যান ও দুদক চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করা হয়েছে শনিবার। রূপগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের নেতৃত্ব বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের এ আবেদনে জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল আদিবাসী প্লট ভুয়া কাগজপত্র, অনৈতিক প্রভাব বিস্তারসহ নানা কৌশলে হাতিয়ে নেয়। তদন্ত করে তাদের প্লট বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
গোলাম দস্তগীর গাজী :
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি এবং জালিয়াতির মাধ্যমে পূর্বাচলে গোলাম দস্তগীর গাজী, তার স্ত্রী, দুই ছেলেসহ আত্মীয়স্বজনের নামে-বেনামে শতাধিক প্লট দখল করেছেন। এসবের প্লটের কোনোটি অল্প টাকায় কেনা, কোনোটি প্রভাব খাটিয়ে দখল করা, আবার কোনোটি জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র বানিয়ে নেওয়া।
ফেরদৌসী আলম নীলা ও ফটিক দম্পতি :
একসময় নুন আনতে পান্তা ফুরাতো ফেরদৌসী আলম নীলা-ফটিক দম্পতির। তারা দুজনেই এনজিওতে চাকরি করতেন। গোলাম দস্তগীর গাজীর আশীর্বাদে নীলা হন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। পূর্বাচল ক্লাব ও পূর্বাচল লেডিস ক্লাব, আদিবাসীদের প্লট জালিয়াতি ও সরকারি বরাদ্দের টাকা লোপাট করে হয়েছেন কয়েক শত কোটি টাকার মালিক। অভিযোগ রয়েছে, শুরুতে পূর্বাচল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হয়ে ২৫ হাজার টাকায় সদস্য পদ কিনে তা বিক্রি করেছেন ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকায়।
তার রয়েছে এক ডজন প্লট, ঢাকায় আলিশান পাঁচতলা বাড়ি, অভিজাত শপিং মলে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম এবং চীন ও সিঙ্গাপুরে ব্যবসা। নীলার থাবা থেকে বাদ যায়নি পূর্বাচলের ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জমিও। এ জমিতে গড়ে তুলেছেন ‘নীলা মার্কেট’। নীলা মার্কেটের আড়ালেই চলে নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড। নীলা রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। তার সব সম্পদ দেখভাল করছেন তার ভাই থানা বিএনপির সহসভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
প্লট বাণিজ্য করে কোটিপতি ‘অঘোষিত এমপি’ এমদাদুল হক দাদুল :
দেড় যুগ আগে গোলাম দস্তগীর গাজীর এপিএস হিসেবে যোগ দেন এমদাদুল হক দাদুল। তখন ঢাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। এপিএস হিসেবে যোগ দেওয়ার পরই ভাগ্য পাল্টে যেতে থাকে তার। রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, আবাসন প্রকল্পের হয়ে কৃষকের জমিতে বালু ভরাট থেকে শুরু করে পূর্বাচল উপশহর সবই ছিল তার নিয়ন্ত্রণে। এমদাদুল হক ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলার ‘অঘোষিত এমপি’। দাদুল পূর্বাচলে তার ও তার আত্মীয়স্বজনের নামে একাধিক প্লট, রাজধানী ঢাকাতে বাড়ি, ফ্ল্যাট ও গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে বিপুল সম্পদ গড়েছেন। তার নামে দুদকে অভিযোগ হলেও সাবেক মন্ত্রী গাজীর শেল্টারে তিনি থেকেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। বর্তমানে পলাতক রয়েছেন দাদুল।
আদিবাসী প্লটের কারসাজিতে শতকোটির মালিক আনসার আলী :
দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্ম আনসার আলীর। অভাবের কারণে লেখাপড়াও বেশিদূর করতে পারেননি। ১৫ বছর আগেও ঢাকায় ছয় হাজার বেতনে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানে চাকরি করতেন। পূর্বাচল উপশহর তার ভাগ্য বদলে দিয়েছে। একটি কোম্পানির প্রভাবশালী ম্যানেজারকে হাত করে তার কাছ থেকে টাকা নিতে শুরু করেন আনসার আলী। ওই টাকা থেকে সহজ-সরল আদিবাসীদের প্লটের দাম দিয়ে, না দিয়ে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেন প্লট। আর সেসব প্লট বড় বড় প্রভাবশালীর কাছে অধিক দামে বিক্রি করে স্বল্প সময়ে হন কয়েক শত কোটি টাকার মালিক। বর্তমানে আনসার আলীর নামে-বেনামে পূর্বাচলে একাধিক প্লটও রয়েছে। এখনও আনসার আলী রয়েছেন বহাল তবিয়তে।
‘বালু হাবিবের’ প্লট নিয়ে কারসাজি : হাবিবুর রহমান হাবিব। মানুষের কাছে পরিচিত ‘বালু হাবিব’ নামে। তিনি সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর ক্ষমতাকে ব্যবহার করে অবৈধভাবে গড়ে তোলেন ড্রেজিং ব্যবসা ও ঠিকাদারি ব্যবসা। পূর্বাচলে বালুর ব্যবসা করতে গিয়ে আদিবাসীদের প্লট নিয়ে কারসাজি করেছেন তিনি। এ অভিযোগ আদিবাসীদের। এরপর নামে-বেনামে হয়েছেন একাধিক প্লটের মালিক। এ ছাড়া রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে তুলেছেন কয়েক শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ।
পূর্বাচলের প্লট বাণিজ্যের রাঘববোয়াল মারফত আলী :
পূর্বাচল উপশহরে আন্দোলনের সময় মারফত আলী ছিলেন দেশের বাইরে। ১৯৯৭ সালের দিকে তিনি দেশে ফেরেন। ওই সময় তার নুন আনতে পান্তা ফুরাতো। এরপর ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হন। এ সময় তিনি গুচ্ছগ্রামের কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্তের ক্ষতিপূরণ বাবদ বিল উত্তোলন করেন। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাতে হয়নি। নারায়ণগঞ্জ জেলার এলএ শাখার সার্ভেয়ারদের (১৯৯৮ সালে) সঙ্গে সখ্য গড়ে ক্ষতিপূরণের লাখ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। গোবিন্দপুর, কালনি, চাপরি, গুচ্ছগ্রামের অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মারফত আলী খাইসা, চাপরি কামতা, ধামচি, মাঝিপাড়া এলাকার হিন্দুদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের প্লট হাতিয়ে নিয়েছেন।
নামে অনিচ্ছুক একজন বলেন, ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে প্লট কিনে নেয় মারফত আলী। এ ছাড়া পূর্বাচলের রাবিয়া আক্তার, আয়েশা আক্তার, মমিনউদ্দিন, করিম মিয়ার প্লট জালিয়াতি আর কারসাজির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন।
প্লটের জাল-জালিয়াতি করে মারফত আলী এখন টাকার কুমির। এখন ঢাকার উত্তরায় রয়েছে তার বাড়ি। রূপগঞ্জের দেবই মাদ্রাসার পেছনে রয়েছে কয়েক বিঘা জমি। কালনিতে রয়েছে কয়েক বিঘা জমি। বিলাসবহুল গাড়িতে চলাফেরা করেন। পূর্বাচলের ১৭, ২০, ২৩ নম্বর সেক্টরে রয়েছে কয়েকটি প্লট (সব নামে বেনামে)।
ভয় দেখিয়ে প্লটের মালিক হাবিবুর রহমান হারেজ :
ব্রাহ্মণখালী এলাকার হাবিবুর রহমান হারেজ, পূর্বাচলে নামে-বেনামে তার রয়েছে ২০টির মতো প্লট। ব্রাহ্মণখালী এলাকায় জমিজমা কিনে এলাকার নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘হাবিবনগর’। হাবিবনগরে তার আছে একটি তিনতলা ভবন, আরেকটি ৫ তলার কাজ চলছে। গড়ে তুলেছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রস্তাবিত করে রেখেছেন, হাবিব হাসপাতালের। তারাব পৌরসভার মাসাবো এলাকায় কয়েক বিঘা জমি কিনেছেন। আধুরিয়ায় রয়েছে আরো কয়েক বিঘা। ১৯৯১ সালে শিমুলিয়া বাজারে গুড়ের ব্যবসায়ী এখন শতকোটি টাকার মালিক।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা জানান, ব্রাহ্মণখালী ঋষিপাড়ার একটা অংশ পূর্বাচল উপশহরের অন্তর্ভুক্ত হয়। এখানকার অধিকাংশ লোকজন হিন্দু সম্প্রদায়ের। তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে নামমাত্র দামে, ২৫ থেকে ৩০টি প্লট হাতিয়ে নেন হাবিবুর রহমান হারেজ। একসময় রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য থাকায় তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস কারো ছিল না। পরে তিনি থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হন। তিনি এতটাই চতুর পূর্বাচলে নিজ নামে, আত্মীয়-স্বজনের নামে ২০টির মতো প্লট দখল করেছেন। বর্তমানে তিনি পলাতক।
ক্ষতিগ্রস্তরা এখনও অসহায় :
‘পূর্বাচল আমাগো রূপগঞ্জে অইলো। কিন্তু আমাগো কোনো লাভ অইলো না। আমাগো প্লট জালিয়াতি কইরা নিয়া দালালরা কোটি টাহার মালিক অইয়া গেলো। আমাগো আগেও নুন আনতে পান্তা ফুরায়তো, অহনো তাই। দালালরা ঘুরে গাড়ি দিয়া।’— এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্লট হারানো ভুক্তভোগী আদিবাসীরা। এদিকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর প্লটবঞ্চিত আদিবাসীরা প্লটের দাবিতে মানবন্ধন, সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিলসহ নানা কর্মসূচি দিলেও কোনো সুরাহা পাননি।
নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির বলেন, সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, তার এপিএস এমদাদুল হক দাদুল, আনসার আলীসহ অনেকেই ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে আদিবাসীদের বঞ্চিত করে নিজেদের নামে একেক জনে ১০ টি থেকে ১০০টি পর্যন্ত প্লট নিয়ে নেন। প্রায় ৫০০ আদিবাসীর প্লট নিজেদের নামে করে নেন তারা। এ কারণে তাদের প্লট বাতিল করতে আমরা দুদক ও রাজউকে আবেদন করেছি।
রূপগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে গোলাম দস্তগীর গাজী, তার সহযোগী ও আত্মীয়স্বজনদের নামে যে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সে প্লটগুলো বাতিলের দাবি জানিয়ে আমরা দুদক ও রাজউকে আবেদন করেছি। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, আওয়ামী লীগের যেসব নেতাকর্মী বিভিন্নভাবে প্রতারণা, অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তার করে প্লট হাতিয়ে নিয়েছেন, তাদের প্লট বাতিল করতে হবে। যারা পূর্বাচলের ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসী রয়েছেন, তাদেরকে তাদের প্লট বুঝিয়ে দিতে হবে।
এ ব্যাপারে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


