শওকত আলীর মত ত্রাস কায়েম করতে
বক্তাবলীতে দুর্ধর্ষ হালিম নজরুল বাহিনী
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
বক্তাবলীতে দুর্ধর্ষ হালিম নজরুল বাহিনী
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের শাসনামলে এই এলাকাতে একচেটিয়া শাসন শোষন করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত দলের ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী। বক্তাবলী ইউনিয়নে দীর্ঘ দিন চেয়ারম্যান থাকায় সেখানে ত্রাস কায়েম করেছে পালিয়ে থাকা এই নেতা। অপকর্ম পরিচালনার জন্য তার বিশাল বাহিনী ছিল। কিন্তু জুলাই আন্দোলনে মাফিয়া শওকত পালিয়ে গেলেও ২০২৪ সনের ৫ আগষ্টের পড়ে বিএনপির ছেচরা টাইপের কিছু নেতা শওকতের স্থান দখল করে বক্তাবলীতে নজরুল ও হালিম বাহিনী ত্রাস কায়েম করতে মরিয়া হয়ে রয়েছে। নতুন বাহিনী কাউকে তোয়াক্কা করছে না।
বিগত সাড়ে পনের বছরে হত্যা খুন থেকে শুরু করে এমন কোন অপকর্ম নেই যা শওকতের নেতৃত্বে হয় নাই। তবে তিনি পালিয়ে গেলেও তার ইটভাটা থেকে নিয়মিত মাশোয়ারা নিয়ে বিএনপির নেতারা আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছে। তারাও এখন পালিয়ে থাকা শওকতের মত মাফিয়া স্টাইলে বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদ, রাসলে প্রধান মিলে ত্রাস কায়েম করছে। শওকতের সকল অবৈধ সেক্টর এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এছাড়া এই সন্ত্রাসী বাহিনী শওকতের ইটভাটা সহ অবৈধ ভাবে ইটভাটা মালিক বনে যান। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে জমি দখল, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাদাঁবাজি সহ বক্তাবলীর লামিয়া ফার্মেসীতে হামলার অভিযোগ রয়েছে। তারা আওয়ামী লীগের শওকতের মত বক্তাবলীর মানুষকে জিম্মি করে মাফিয়া স্টাইলে রাজত্ব কায়েম করতে চায়। তাদের কথার বাইরে গেলে তার উপর চালানো হয় হামলা। যে ভাবে জেলা এনসিপির নেতা তৌহিদের উপর হালিম আজাদের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে মাটি কাটা নিয়ে বক্তাবলী ঘাটে প্রতিবাদ করায় তার উপর হামলা চালানো হয়। এই হামলায় এনসিপির সাংসদ আব্দুল্লাহ আল আমিন থানায় গিয়ে প্রতিবাদ জানান। এছাড়া ৩০ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ আল আমিন বক্তাবলী গিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন বিএনপির অপকর্ম কারীদের বিরুদ্ধে। ওই সভায় থেকে বক্তাবলী ফাড়িইনচার্জকে ধমক দেন ধলেশ্বরী নদীতে মাঠি কাটা নিয়ে। যা ভাইরাল হয়।


