Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

সমাজ উন্নয়ন সংসদের নামে মোমেন সিকদার ও দুলাল বাহিনীর লুটপাট

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

সমাজ উন্নয়ন সংসদের নামে মোমেন সিকদার ও দুলাল বাহিনীর লুটপাট

সমাজ উন্নয়ন সংসদের নামে মোমেন সিকদার ও দুলাল বাহিনীর লুটপাট

Swapno



দীর্ঘ ১৯ বছর যাবৎ বিভিন্ন সরকারের আমলকে কাজে লাগিয়ে কাশীপুর সমাজ উন্নয়ন সংসদ নামে একটি সামাজিক সংগঠনের নাম ব্যবহার করে লুটপাট চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগের চিহ্নিত দোসর সাবেক চেয়ারম্যান মোমেন সিকদার ও বিএনপির নামধারী নেতা মেজবাহ উদ্দিন দুলাল বাহিনী। বিগত আমল থেকেই হাটখোলার কাশীপুর সমাজ উন্নয়ন সংসদে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে সংগঠনের নামে চুরির বিদ্যুৎ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ রয়েছে এই প্রভাবশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি স্কুলের নামে ভবন তৈরি করে কমিউনিটি সেন্টার, ফুটপাতে দোকান বসিয়ে সংগঠনের নামে চাঁদাবাজিসহ ডজনে ডজনে অভিযোগ রয়েছে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে।


এদিকে এই বাহিনী অবৈধ কার্যকালাপে সংগঠনের আরো জড়িত রয়েছে, আব্বাস, জাফর উল্লাহ, ফিরোজ, আমির, রুবেল সিকদার, গিয়াস উদ্দিন, মোমেন সিকদারের ছেলে নিষিদ্ধ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি দিপ্ত সিকদার, কর্মচারী মহিউদ্দিন যিনি বিল কালেকশন করেন। ইতিমধ্যে চুরির বিদ্যুৎ বিছিন্ন করেছে ঢাকা পাওয়ার ডিভিশন।


স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবৎ চুরির বিদ্যুৎ দিয়ে সংগঠনের অফিস, ৯টি দোকানে সাব মিটার দিয়ে দোকান প্রতি ২ থেকে ৩ হাজার টাকা, জিম থেকে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা এমনকি একটি মিনি গার্মেন্টস থেকে মাসে প্রায় ১২ হাজার বেশি টাকার মোটা অংকের বিদুৎ বিল কালেকশন করা হয়। তা ছাড়া ২ লাখ ১ লাখ করে এডভান্স নিয়ে ফুটপাতে দোকান ১৫টি দোকান ভাড়া দিয়েছিলেন সংগঠনের নামে। এরই পাশাপাশি ১৫টি দোকান থেকেই নিয়মিত বিদ্যুৎ বাবদ ১০০ করে মাসে ৪৫ হাজার টাকা কালেকশন করা হতো।


সব মিলিয়ে চুরির বিদ্যুৎ বিল মাস শেষে প্রায় লাখ টাকার কাছাকাছি হিসেবে ধারায় বলে জানা গেছে। তা ছাড়া রাস্তার কাজের জন্য ফুটপাত কিছু মাস যাবৎ বন্ধ রয়েছে। রাস্তা ঠিত হলেই ফের চালু হবে সেই পুরনো ফুটপাতের দোকানগুলো।  এদিকে গত ১৯ বছর যাবৎ এভাবেই সরকারকে লুটে খাচ্ছে এই সংগঠনের একাংশের লুটেরারা। এদিকে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় মেগাওয়াটের ঘাটতির কারণে বেড়েছে লোডশেডিং। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে বেড়েছে ভোগান্তি, গ্রাহকদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ।


এদিকে বিগত দেড় যুগ নানাভাবে বিদ্যুৎ অফিসারদের সাথে প্রভাব খাটিয়ে চুরি চালালেও এই খবর গত (৩০ অক্টোবর)  ঢাকা পাওয়ার ডিভিশনের স্পেশ্যাল টিম বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করেন এবং উপদেষ্টা কয়েকজনের নামে মামলা ও ১২ লাখ টাকা জরিমানা করেন ম্যাজিস্ট্রেট। সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকলে ও বিকালের পর ফের চুরির লাইন চালু করা হয়। তা ছাড়া মামলা ও জরিমানার মধ্যে দিয়েই আবার চুরির বিদ্যুৎ লাইন চালু করতে যাচ্ছে সংগঠনের সেই কথিত উপদেষ্টা।


এ বিষয়ে জানতে নামধারী বিএনপি নেতা মেজবাহ উদ্দিন দুলালের মুঠোফোনে একাধিক কল করলে ও তা রিসিভ করেননি।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন