Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

কাশীপুরকে মাদকের টেকনাফ বানিয়েছে শহীদ-বাপ্পি সিন্ডিকেট

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম

কাশীপুরকে মাদকের টেকনাফ  বানিয়েছে শহীদ-বাপ্পি সিন্ডিকেট

কাশীপুরকে মাদকের টেকনাফ বানিয়েছে শহীদ-বাপ্পি সিন্ডিকেট

Swapno



কাশীপুরকে (টেকনাফ) বানিয়ে এখান থেকেই আশাপাশের এলাগুলোতে মাদক সাপ্লাইয়ের সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন যুবদল নেতা সাব্বির আহম্মেদ শহীদ ও চিশতী সিকদার বাপ্পি। ইতিমধ্যে কাশীপুরের ৮নং ও ৬ নং ওয়ার্ডের দুটি স্পটে কারখানা বানিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ইয়াবা। যা তৈরি করেই তুলে দেওয়া হচ্ছে সিন্ডিকেটদের হাতে হাতে। ইতিমধ্যে রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি করে নারায়ণগঞ্জের একাধিক প্রভাবশালী নেতাদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে রেখেছেন ম্যানেজে এর মধ্যেই সৈয়দপুরের ফকিরবাড়ি এলাকায় গ্রেফতারকৃত বাপ্পি মেম্বারের মাধ্যমেই ইয়াবা বানোনোর মাল আসে জানিয়েছে সূত্র।


বর্তমানে যা আরেকজনের হাত ধরেই আসছে। তা ছাড়া সেই মাল সেখান থেকে নিয়ে কাশীপুরের আমবাগান রেইনবো স্কুল গল্লিতে একটি কারখানা ও হাসেমবাগ এলাকা এবং হাকীমবাগের ভিতরে একটি কারখানায় সেগুলো ইয়াবা আকারে তৈরি করে বাজারজাত করতে তুলে দেওয়া হয় হাতে হাতে। ইতিমধ্যে এই ইয়াবা বাপ্পি চত্ত্¦র, শহীদনগর এলাকায় বিটু ও তার সালা নিয়ন্ত্রণ করে বিক্রি চালায়। অপর দিকে ২ নাম্বার গেইট এলাকাসহ শহরে বান্টি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে এই সেই মাদক ব্যাবসা।


তা ছাড়া বাঁশমুলি এলাকায় পরিচালনা করেন একজন কথিত সাংবাদিক। তা ছাড়া আমবাগান, বাবুরাইল এলাকায় শহীদ নিজেই নিয়ন্ত্রণ চালাচ্ছেন এই মাদক। তা ছাড়া গাঁজা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে শহীদের পক্ষে রয়েছে মোল্লা রবিন ও মোল্লা বাপ্পি। এদিকে সিকদার বাপ্পি প্রকাশ্যে ইয়াবার সাথে সম্পৃক্ত না থাকলে ও মাসোয়ায় তিনি পটু। এদিকে কোরবান নামের একজন মেট্রাহল ও আমলাপাড়ায় এই শহীদ ও বাপ্পি সিন্ডিকেটের মেম্বার হয়ে কাজ করছেন।


সূত্র আরো জানিয়েছে, বিগত দিনে মাদক ব্যবসার নেটওয়ার্ক এই বাহিনীর কাশীপুর কেন্দ্রিক হলে ও তা বর্তমানে ছড়িয়ে পরছে নারায়ণগঞ্জ জুড়ে। এদিকে সকল মালামাল নিয়মিত ব্যবসা হলে ও প্রতিনিয়ত সন্ধ্যা ৮ টার পর থেকে বাবুরাইলের খান সুমন রিক্সা নিয়ে হোসাইনীনগর, ইব্রাহীম ব্রিজ, ব্যাংককোলনী এলাকার মাদক বিক্রির টাকা কালেকশন করেন। তা ছাড়া বাশঁমুলি ও প্রধান বাড়ি এই স্পটগুলোর টাকা কালেকশন করে এক কথিত সাংবাদিক।


তা ছাড়া শীতলক্ষ্যা, বাপ্পিচত্ত্বর, শহীদনগর ৯ টা স্পটকে বিটুর সালায় টাকা তুলে। তা ছাড়া কোরবান মেট্রোহল ও আমলাপাড়ার টাকা উত্তোলন করেএকই সাথে বান্টি ২ নাম্বার গেইট এলাকায় তার লোক দিয়ে মাদকের টাকা তুলে একক্রিত করে পরবর্তীতে কাশীপুর খিলমার্কেট এলাকায় নেশাখোড় খ্যাত সানি ওরফে আটরশি সানির রিক্সার গ্যারেজের অফিসে গিয়ে টাকা ভাগাভাগি চলে। তা ছাড়া কাশীপুরের সকল চাঁদাবাজি ও ইট-বালু ব্যবসার নামে বাড়ি ঘর থেকে চাঁদাবাজি করে সেই টাকা ইব্রাহীম ব্রিজ এলাকায় শহীদের বডির্গার মুন্নার অফিসে ভাগাভাগি হয়। বর্তমানে বিশাল নেটওয়ার্ক যুগে কাশীপুরকে মাদকে সয়লাভ করছে এই শহীদ-বাপ্পি সিন্ডিকেট।


এদিকে গত বুধবার (৬ মে) শহীদ বাহিনী প্রকাশ্যে কাশীপুরে পুলিশের কাছ থেকে আসামী ছিনিয়ে রাখলে ও পুলিশ-প্রশাসন কোন জোরালো ভূমিকা নেয়নি এই বাহিনীর বিরুদ্ধে। তা ছাড়া গত মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর সাড়ে বারোটায় বোয়ালিয়া খাল এলাকায় র‌্যাবের একটি গোয়েন্দা দল মাদক ব্যবসায়ীদের হামলার শিকার হয়েছেন। চার সদস্যের ওই দলের মধ্যে তিনজন হামলায় আহত হয়েছেন। দুইজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে। একজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়াতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


এই হামলার ঘটনার পর বোয়ালিয়া খাল ও আশেপাশের এলাকায় র‌্যাবের বিপুল পরিমাণ সদস্যের একটি দল অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চাললে ও বারবারই বেঁচে যাচ্ছে। সেই মাদক সাপ্লাইয়ারা। বর্তমানে দ্রুত এই সকল আস্থায় অভিযান চায় কাশীপুরবাসী। তা ছাড়া বর্তমানে মাদকের ডিলার সবুজ হোসাইনী নগর এলাকার জোড়া খুন মামলার আসামীসহ চাদাঁবাজি, ভূমিদুস্যতা মামলার আসামী শহিদ ওরফে ভোগা শহিদ, মাদক সাপ্লাইকারি খান সুমন, সবুজের বায়রা ভাই মামুন, শিকদার বাপ্পি, শহীদের হাতিয়ার মুন্না, মোল্লা রবিন, মোল্লা বাপ্প্,ি পায়েল, কানা রবিন এদের আটক করলেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসসে কাশীপুরের সকল অপকর্ম।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সবুজ-শহিদ বাহিনীর সদস্যরা তাদের শেল্টারে জিমখানা থেকে বাবুরাইল থেকে দেওয়ান বাড়ি সহ এর আশে পাশের প্রত্যেকটি এলাকায় ছড়িয়ে দিয়েছে মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য। এ ছাড়া আরো জানা গেছে, এরা মাদকের মূল স্পট তাঁতিপাড়াকেই ধার্য করেছে। এখান থেকেই মাদক বেড়িই ছিড়িয়ে পরে বাবুরাইলসহ তাঁতিপাড়ার বট তলা এলাকা, মুন্সিবাড়ির নতুন রোড, আমবাগান, ইব্ররাহিম ব্রিজের ভিতরের বিভিন্ন গলিতে, হোসাইনী নগর এলাকাসহ বাংলাবাজার এলাকার ব্যাংকলোনী, খিলমার্কেটের সকল অলিগলিতে।


আর এগুলো প্রভৃতি রকমারি মাদক বিভিন্ন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এলাকায় বিক্রি করানো হচ্ছে। এদিকে সুবজের বায়রা ভাই মামুনের দ্বারাতে কাশীপুরের আওতাধীন কয়েকটি মাদক চিহ্নিত এলাকায় মাদক সাপ্লাই দেওয়া হচ্ছে। এই মামুন ভাসমান ব্যক্তি কিন্তু সবুজের আত্মীয় হওয়ায় বাবুরাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছে তিনি। তা ছাড়া ও খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, বিগত দিনে এই সবুজের মাদক বিক্রি করতেন ইব্রাহীম ব্রিজের অনিক ও ফরিদ কিন্তু তারা নানা অপকর্মে প্রশাসনে চিহ্নিত হয়ে গেলে তিনি এখন শহিদ, খান সুমন, মামুন ও ওয়ান পিস ফয়সালের দ্বারাতে কাশীপুরে মাদক সাপ্লাই দেয়।


তা ছাড়া বর্তমানে সবুজকে টপকিয়ে উপরে যেতে চাইছে সেই শহীদ। এদিকে মাদকসহ নানা অপকর্মের মাধ্যমে তারা বনে গেছেন কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন এলাকায় তারাই কিছু আত্মীয়র নামে কিনেছেন জমি, রয়েছে বাড়িও। যাকে ঘিরে দ্রুত কাশীপুরে বিভিন্ন এলাকাসহ আশপাশের এলাকা থেকে অপকর্ম করে আশ্রয় নিচ্ছে কাশীপুরে যা পাহাড়া দিচ্ছেন এই শহীদ বাহিনীরা। এদের কাছে জিম্মি নারায়ণগঞ্জের সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন