শুভ হত্যা মামলার আসামী হওয়ার পর কুখ্যাত আলীর নানা অপকর্ম সামনে আসতে শুরু করেছে। আলীকে গ্রেফতারের আওতায় আনতে বিলম্ব হওয়ায় প্রতারক আলীর দ্বারা অত্যাচারিত নির্যাতিত এবং সর্বস্ব হারানো ব্যক্তিরা এখন মুখ খুলছেন। জানা গেছে, শহরের অন্যতম দুটি মার্কেট মার্ক টাওয়ার এবং হক প্লাজাসহ এর আশেপাশের কয়েকটি মার্কেটে ডিস এবং ইন্টারনেট ব্যবসা একক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার হোতা ছিলেন আলী। সূত্র জানিয়েছে, মার্ক টাওয়ারে নামে বেনামে পাঁচটির অধিক দোকানের মালিক রয়েছেন আলী।
সূত্র জানায়, আওয়ামীলীগ শাসন আমলে প্রথম দিকে কাউন্সিলর বাবু ওরফে ডিস বাবুর লাইন ম্যান হিসেবে পরিচিত ছিলেন আলী। পরবর্তীতে ডিশ বাবুর সঙ্গ ত্যাগ করে কখনো হয়েছেন কথিত সাংবাদিক এবং পুলিশের সোর্স পরিচয় বহন করে, বিভিন্ন সেক্টরে এসকল পরিচয় দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ শুরু করে। এছাড়া অসাধু কিছু ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে নামমাত্র মূল্যে বিশেষ পেশার কার্ড ব্যবহার করে নয়ামিশনে পা দেন। এছাড়া ৫ আগষ্টের পরবর্তী সময়ে শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাড়ার বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট, দোকানে আখড়া বানিয়ে নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ড পরিচালনায় লিপ্ত হন।
৫ আগষ্টের আগে আলীর অটো চাঁদাবাজ, পুলিশের সোর্স, কথিত সাংবাদিক, মাদককারবারীদের শেল্টারদাতা, ভূমিদস্যু, দখলদার হিসেবে কুখ্যাতি পায়। কিন্তু ৫ আগষ্টের পর স্বেচ্ছাসেবকল নেতা রানার আশ্রয় প্রশ্রয়ে ভূমি দুস্যতা থেকে শুরু ডিস ব্যবসা, ইন্টারনেট, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ ও শেল্টারদাতা, অটোপ্লেট ব্যবসা, ফ্ল্যাট-দোকান দখল ইত্যাদি অপকর্মে প্রভাব বিস্তার শুরু করে। এব কাজে আলীকে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করতো স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রানা।


