১৮নং ওয়ার্ডের শহীদ নগরের খালটি অচিরেই পুরোনো রূপে ফিরে আনবে নাসিক প্রশাসক
মেহেদী হাসান
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম
১৮নং ওয়ার্ডের শহীদ নগরের খালটি অচিরেই পুরোনো রূপে ফিরে আনবে নাসিক প্রশাসক
নগরীর দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ১৮নং ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডটিতে প্রায় দেড় থেকে দুই লক্ষ লোকের বসবাস। কিন্তু ওয়ার্ডটিতে স্থানীয় ভোটার রয়েছে প্রায় ২৫হাজারের অধিক। দেশের বৃহত্তম পাইকারী বাজার নিতাইগঞ্জ এই ওয়ার্ডের সাথে সংযোগ থাকায় এবং যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন ব্যবসা-বানিজ্য এই ওয়ার্ডে থাকায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে জীবিকা নির্বাহের জন্য অনেকে এখানে বসবাস করেন।
এই ওয়ার্ডটিতে বেশ কয়েকটি এলাকা রয়েছে, তার মধ্যে কাঁচারীগলি, ভগবানগঞ্জ, নলুয়া রোড উত্তর-দক্ষিণ ও মধ্য, তোলারাম মোড়, শীতলক্ষ্যা, তামাকপট্টি, শহীদ নগর ও সৈয়দপুর আল-আমিন। এই ওয়ার্ডের একপাশে রয়েছে শীতলক্ষ্যা নদী। বানিজ্য এলাকা হওয়াতে এই নদী দিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিক্রি জন্য বিভিন্ন ধরনের মালামাল আনা নেওয়া হতো। শীতলক্ষ্যা নদীর পাশ দিয়েই ১৮নং ওয়ার্ডের শহীদ নগর ও তামাকপট্টি এলাকার মাঝেই এই খালটি বয়ে গেছে।
এই খালটি দিয়ে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অল্প সময়েই ধলেশ্বরী নদীতে বিভিন্ন ধরনের নৌযান আসা-যাওয়া করতো। অত্র এলাকার অনেকেই খালটিকে শহীদ নগরের খাল হিসেবে চিনেন। এমনকি সেই এলাকার হাজারো মানুষ খালটির পানি রান্না-বান্না, গোসল সহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতো। খালটির উপর প্রায় ছোট-বড় মিলিয়ে ৩-৪টি ব্রিজ রয়েছে। এই ব্রিজগুলো দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও বিভিন্ন এলাকার মানুষ চলাচল করে।
কিন্তু গত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ব্রিজগুলো পূর্ণরায় নির্মাণ করতে গেলে বাঁধ দিয়ে খালটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ব্রিজের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও খালটির কোন খনন করেননি সরকার। একদিকে দখল আর অবহেলায় নগরীর ১৮নং ওয়ার্ডের শহীদ নগরের খালটি এখন প্রায় মৃত। প্রায় ১০বছরে খালটি দু’পাশে দখলে নিয়ে অনেকে। এমনকি খালে ময়লা-আবর্জনা ফেলে অনেক জায়গা ভরাটও করে ফেলেছে। কিন্তু বিএনপি সরকার খাল খননের উদ্দ্যেগ নেওয়ায় ঐ এলাকা অনেকের আবার আশার আলো দেখছে। সেই পুরানো খাল আবার তারা ফিরে পারে।


