নগরীর জিমাখানা থেকে ডিআইটি মসজিদ পর্যন্ত জনসাধারণের চলাচলের ফুটপাত দখল করে দেদারসে ব্যবসা করছে ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখল করে রাখায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। ফুটপাত দখল করে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা চালিয়ে গেলেও এসব ফুটপাত দখল মুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করছে না বলে অভিযোগ সাধারণ মানুষের।
ব্যবসায়ী এক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন , ডিআইটি মার্কেট কমিটির সভাপতি হাজী নুরুদ্দিন সাহেবকে বহু বার অবগত করা হলে ও তিনি বিষয়টি আমলে আনেন না, হয়তো তিনি ফুটপাত দখলে কোনভাবে সুবিধা পেয়ে থাকেন। ইতিমধ্যে সিটি কর্পোরেশন থেকে হকার মুক্ত নারায়ণগঞ্জ নিয়ে কথা উঠলে ও ডিআইটির ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ীদের ফুটপাত ছাড়তে কোন নির্দেশনা আসেনি।
সরেজমিনে দেখা যায়, ডিআইটি এলাকায় বঙ্গবন্ধুর সড়কের পাশে ইলেকট্রনিক্স পণ্য সামগ্রী ব্যবসা করছেন ২৫/৩০জন ব্যবাসায়ী। এ স্থানে পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্মিত ফুটপাতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে ব্যবসা করছে এসব ব্যবসায়ীরা। ফুটপাতের উপরে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক পাখাসহ নানা পণ্য সামগ্রী। এ সব পণ্য সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে দেদারসে ব্যবসা করছেন তারা। ফুটপাত দিয়ে পথচারীরা চলাচল করার কথা থাকলেও অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করার জন্য এসব ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে পারছে না সাধারণ পথচারীরা। তাই নিরুপায় সাধারণ মানুষকে এক প্রকার বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তার উপর দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। ফলে, ফুটপাতের এ অংশে যাতায়াতের সময় বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয় পথচারীদের। দেখে যেন ফুটপাত চেনার উপায় নেই।
হাবিবুর রহমান নামে এক পথচারী বলেন, এমনিতেই নগরীর অধিকাংশ সড়ক ও ফুটপাত হকারদের দখলে। এ অংশটিতে হকারদের দৌড়াত্ম না থাকলেও ব্যবসায়ীরা নিজেরাই ফুটপাত দখল করে ফ্যানসহ নানা পণ্য রেখে ইচ্ছেমত ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে পারছি না। বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মেইন সড়কের উপর দিয়ে চলাচল করছি।
মাহবুব নামে আরেক পথচারী বলেন , এখানে ফুটপাত নেই বললেই চলে। দোকানদাররা যে যার মত করে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছে। আমরা সাধারণ মানুষ। আমাদের ভোগান্তি নিয়ে কারো যায় আসে না। এসব বলেও লাভ নেই। শুধু ইলেকট্রনিক্স ব্যবাসয়ীরাই নয়, পুরো ডিআইটি মার্কেটের সামনের দোকানিরাই নিজের মতো করে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছে। এখানে সিটি কর্পোরেশন কোন ব্যবস্থা নেয় না।
এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হয় আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠনের সভাপতি ও ডিআইটি মার্কেট কমিটির সভাপতি হাজী নুরুদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিক কল করলে ও তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।